লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৪]

কৃৎস্ন সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, দশ প্রকার কৃৎস্ন আয়তন আছে। সেই দশ প্রকার কৃৎস্ন আয়তনসমূহ কী কী? যেমন :

কেউ কেউ পৃথিবী-কৃৎস্নকে ঊর্ধ্বে, অধেঃ, চারিপাশে, অদ্বৈতরূপে এবং অপ্রমাণভাবে জানে; কেউ কেউ আপ বা জল-কৃৎস্নকে ঊর্ধ্বে, অধেঃ, চারিপাশে, অদ্বৈতরূপে এবং অপ্রমাণভাবে জানে; তেজ-কৃৎস্ন, বায়ু-কৃৎস্ন, নীল-কৃৎস্ন, পীত বা হলুদ-কৃৎস্ন, লোহিত বা লাল-কৃৎস্ন, শ্বেত বা সাদা-কৃৎস্ন, আকাশ-কৃৎস্ন এবং বিজ্ঞান-কৃৎস্নকেও ঊর্ধ্বে, অধেঃ, চারিপাশে, অদ্বৈতরূপে এবং অপ্রমাণভাবে জানতে পারে।

ভিক্ষুগণ, এ সকল হচ্ছে দশ কৃৎস্ন আয়তন।” পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]