লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

মূলক সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, অন্যতীর্থিয় পরিব্রাজকগণ যদি তোমাদের এরূপ জিজ্ঞাসা করে, ‘সর্ববিধ ধর্মের মূল কী? সর্ববিধ ধর্মের উৎপত্তি কী? সর্ববিধ ধর্মের সমুদয় কী? সর্ববিধ ধর্মের সংযোগ কী? সর্ববিধ ধর্মের প্রধান কী? সর্ববিধ ধর্মের আধিপত্য কী? সর্ববিধ ধর্মের অতিক্রমন কী? সর্ববিধ ধর্মের সার কী? সর্ববিধ ধর্মের নিমজ্জন কী? এবং সর্ববিধ ধর্মের পর্যাবসান বা সমাপ্তিই বা কী?’ এরূপ জিজ্ঞাসিত হয়ে ভিক্ষুগণ, তোমরা সেই অন্যতীর্থিয় পরিব্রাজকদের কী ব্যাখ্যা করবে?”

“ভন্তে, ভগবানই আমাদের মূল, ভগবানই আমাদের পথপ্রদর্শক, প্রতিশরণ। সত্যিই ভন্তে, তা উত্তম হয় যদি ভগবান এই বিষয়ের অর্থ প্রকাশ করেন। ভিক্ষুরা ভগবানের নিকট হতে তা শ্রবণপূর্বক অবধারণ করবেন।”

“হে ভিক্ষুগণ, তাহলে শ্রবণ কর, উত্তমরূপে মনোযোগ দাও, আমি ভাষণ করছি।”

‘তা-ই হোক’ বলে ভিক্ষুরা ভগবানকে প্রত্যুত্তর দিলে ভগবান বলতে লাগলেন :

“ভিক্ষুগণ, অন্যতীর্থিয় পরিব্রাজকগণ যদি তোমাদের এরূপ জিজ্ঞাসা করে, ‘সর্ববিধ ধর্মের মূল কী? সর্ববিধ ধর্মের উৎপত্তি কী? সর্ববিধ ধর্মের সমুদয় কী? সর্ববিধ ধর্মের সংযোগ কী? সর্ববিধ ধর্মের প্রধান কী? সর্ববিধ ধর্মের আধিপত্য কী? সর্ববিধ ধর্মের অতিক্রমন কী? সর্ববিধ ধর্মের সার কী? সর্ববিধ ধর্মের নিমজ্জন কী? এবং সর্ববিধ ধর্মের পর্যাবসান বা সমাপ্তিই বা কী?’ এরূপ জিজ্ঞাসিত হয়ে ভিক্ষুগণ, তোমরা সেই অন্যতীর্থিয় পরিব্রাজকদের এরূপ ব্যাখ্যা করবে :

‘আবুসোগণ, ছন্দই সর্ববিধ ধর্মের মূল। সর্ববিধ ধর্মের উৎপত্তি হচ্ছে মনোযোগ প্রদান। স্পর্শ হচ্ছে সর্ববিধ ধর্মের সমুদয়। সর্ববিধ ধর্মের সংযোগ হলো বেদনা। সমাধি হচ্ছে সর্ববিধ ধর্মের প্রধান। সর্ববিধ ধর্মের আধিপত্য হলো স্মৃতি। প্রজ্ঞা হচ্ছে সর্ববিধ ধর্মের অতিক্রমন। সর্ববিধ ধর্মের সার হলো বিমুক্তি। অমৃতে নিমজ্জনই হচ্ছে সর্ববিধ ধর্মের নিমজ্জন এবং নির্বাণ হচ্ছে সর্ববিধ ধর্মের পর্যাবসান বা সমাপ্তি।’

ভিক্ষুগণ, অন্যতীর্থিয় পরিব্রাজকদের দ্বারা জিজ্ঞাসিত হলে এরূপ ব্যাখ্যা করবে।” অষ্টম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]