লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [২১]

প্রথম দুই ব্রাহ্মণ সূত্র

“অতঃপর দুই বৃদ্ধ, জরাজীর্ণ, বয়ঃপ্রাপ্ত একশত বিশ বৎসর বয়স্ক ব্রাহ্মণ ভগবানকে দর্শন করিতে উপস্থিত হন। উপস্থিত হইয়া ভগবানকে অভিবাদন করিয়া একপ্রান্তে উপবেশন করেন। একপ্রান্তে উপবিষ্ট ব্রাহ্মণদ্বয় ভগবানকে বলিলেন, “ভবৎ গৌতম, আমরা বৃদ্ধ, জরাজীর্ণ, বয়ঃপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণ একশত বিশ বৎসর বয়সের অধিকারী। কিন্তু আমরা কোনো মহৎ কার্য, কুশলকর্ম যেই কর্মে আমাদের ভয়ে আশ্বস্ত করিতে পারে তদ্রূপ কোনো কার্য সম্পাদন করি নাই। ভবৎ গৌতম, আমাদিগকে উপদেশ প্রদান করুন, ভবৎ গৌতম আমাদিগকে অনুশাসন করুন যাহাতে আমাদের দীর্ঘকালের হিত ও সুখ সাধিত হয়।” “সত্যই ব্রাহ্মণ, আপনারা বৃদ্ধ জরাজীর্ণ, বয়ঃপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণ একশত বিশ বৎসর বয়সের অধিকারী। কিন্তু আমরা কোনো মহৎ কার্য, কুশলকর্ম যেই কর্মে আমাদের ভয়ে আশ্বস্ত করিতে পারে তদ্রূপ কোনো কার্য সম্পাদন করি নাই। প্রকৃতপক্ষে ব্রাহ্মণ, এই জগৎ প্রতিনিয়ত জরা, বার্ধক্য, মৃত্যু দ্বারা তাড়িত হইতেছে। যেহেতু ইহার ব্যতিক্রম নাই সেইজন্য ইহজীবনে কায়িক, বাচনিক, মানসিক আত্মসংযম অনুশীলনীয়-যে পরলোক প্রাপ্ত হইয়াছে যাহার জন্য ইহার আশ্রয়, আশ্রয় গুহা, প্রতিরক্ষা দ্বীপ, বিশ্রাম স্থান ও উপশমস্বরূপ হউক।

জীবনে প্রতিনিয়ত তাড়িত হইতেছে; আয়ু অতি সংক্ষিপ্ত; জরা ও বার্ধক্যের তাড়ন হইতে কাহারও পরিত্রাণ নাই। তোমার চোখের সম্মুখে মৃত্যুর ভয় রাখ এবং সুখদায়ক কর্ম সম্পাদন কর। ইহজীবনে অনুশীলিত কায়িক, বাচনিক, মানসিক সংযম, পুণ্যকর্ম মৃত ব্যক্তির সুখ সৃষ্টি করে।”

ব্যাখ্যা [০]