লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [২০]

দ্বিতীয় দুই ব্রাহ্মণ সূত্র

“অতঃপর দুই বৃদ্ধ জরাজীর্ণ, বয়ঃপ্রাপ্ত একশত বিশ বৎসর বয়স্ক ব্রাহ্মণ ভগবানকে দর্শন করিতে উপস্থিত হন। উপস্থিত হইয়া ভগবানকে অভিবাদন করিয়া একপ্রান্তে উপবেশন করেন। একপ্রান্তে উপবিষ্ট ব্রাহ্মণদ্বয় ভগবানকে বলিলেন, “ভবৎ গৌতম, আমরা বৃদ্ধ, জরাজীর্ণ, বয়ঃপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণ একশত বিশ বৎসর বয়সের অধিকারী। কিন্তু আমরা কোনো মহৎ কার্য, কুশলকর্ম যেই কর্মে আমাদের ভয়ে আশ্বস্ত করিতে পারে তদ্রূপ কোনো কার্য সম্পাদন করি নাই। হে ব্রাহ্মণ, এই জগৎ জরা, ব্যাধি, মরণ দ্বারা প্রজ্জ্বলিত হইতেছে। যেহেতু ইহার ব্যতিক্রম নাই সেইজন্য ইহজীবনে কায়িক, বাচনিক, মানসিক আত্মসংযম অনুশীলনীয়-যে পরলোক প্রাপ্ত হইয়াছে যাহার জন্য ইহার আশ্রয়, আশ্রয় গুহা, প্রতিরক্ষা দ্বীপ, বিশ্রাম স্থান ও উপশমস্বরূপ হউক ভবিষ্যৎ জীবন।

যখন একটা গৃহ প্রজ্জ্বলিত হয় সেখান হইতে সড়ানো দ্রব্যাদি গৃহস্থের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়, যাহা প্রজ্জ্বলিত হইয়া যায় তাহা আর ব্যবহারে আসে না। এইরূপ জগৎ জরা-মৃত্যুতে জ্বলিতেছে। তাই দানের দ্বারা নিজেকে রক্ষা কর, দান দিলে তাহা সুনিহিত (রক্ষিত) হয়। ইহজীবনে অনুশীলিত কায়িক-বাচনিক-মানসিক সংযম, পুণ্যকর্ম মৃত্যুর পর তাহার সুখ সাধন করে।”

ব্যাখ্যা [০]