লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [৩৫]

কেশপুত্র সূত্র

আমাকর্তৃক এইরূপ শ্রুত হইয়াছে, এক সময় ভগবান কোশলে বিচরণ করিতে করিতে মহা ভিক্ষুসংঘের সাথে কেশপুত্র নামে কালামদের নিগমে উপনীত হন। কেশপুত্রের কালামগণ শুনিতে পান যে শাক্যকুল প্রব্রজিত শ্রমণ গৌতম কেশপুত্রে উপনীত হইয়াছেন। ভগবান গৌতমের সুকীর্তি এইভাবেই বিঘোষিত-সেই ভগবান অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ, বিদ্যাচরণসম্পন্ন, সুগত, লোকবিদ, অনুত্তর পুরুষদম্য সারথি, দেবমনুষ্যদের শাস্তা, বুদ্ধ ভগবান। এইরূপ অর্হতের দর্শন লাভ শুভ।

অতঃপর কেশপুত্রের কালামগণ ভগবান যেইখানে ছিলেন তথায় উপস্থিত হন। উপস্থিত হইয়া কেহ কেহ ভগবানকে অভিবাদন করিয়া একপ্রান্তে উপবেশন করেন, কেহ কেহ সম্মানসূচক সম্ভাষণের পর একপ্রান্তে উপবেশন, কেহ কেহ ভগবানকে অঞ্জলি নিবেদন করিয়া একপ্রান্তে উপবেশন করেন, কেহ কেহ তাঁহাদের নাম ও গোত্রের উল্লেখ করিয়া একপ্রান্তে উপবেশন করেন, কেহ কেহ নীরবে একপ্রান্তে উপবেশন করেন। একপ্রান্তে উপবিষ্ট কেশপুত্রের কালামগণ ভগবানকে বলেন,

ভদন্ত, কতিপয় শ্রমণ-ব্রাহ্মণ কেশপুত্রে আগমন করেন। তাঁহারা তাঁহাদের নিজস্ব মত প্রচার করেন এবং ব্যাখ্যা করেন, কিন্তু পরবাদকে গালি দেন, অপবাদ দেন, নিন্দা করেন এবং অসমর্থ করেন। অধিকন্তু ভন্তে, অপরাপর শ্রমণ-ব্রাহ্মণও কেশপুত্রে আসিয়া তদ্রূপ করেন। ভন্তে, যখন আমরা এইসব শ্রবণ করি আমাদের সন্দেহ হয়, আমরা ইতস্তত করি কে সত্য বলিতেছেন বা কে মিথ্যা বলিতেছেন।

“হ্যাঁ কালামগণ, আপনারা সন্দেহ করিবেন, ইতস্তত করিবেন বৈ কি! সন্দেহজনক বিষয়ে ইতস্তত ভাবের উৎপত্তি হয়।

হে কালামগণ, জনশ্রুতিতে কোনো মতবাদ গ্রহণ করিবেন না, পুরুষ পরস্পরাগত বলিয়া বিশ্বাস করিবেন না, ইহা এইরূপ বলিয়া অন্ধ বিশ্বাসে বিভ্রান্ত হইবেন না, শাস্ত্রোক্তি বলিয়া মানিয়া নিবেন না, তর্কপ্রসূত মতে আস্থা স্থাপন করিবেন না, অনুমানবশত কোনো বিষয় গ্রহণ করিবেন না, নিজের মতের সঙ্গে সঙ্গতি আছে বলিয়া সত্য বলিয়া গ্রহণ করিবেন না, গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধাবশত কোনো মতবাদে বিশ্বাসী হইবেন না। কিন্তু কালামগণ, যখন নিজেরাই জানিবেন যে, এই ধর্ম অকুশল, এইগুলি দোষজনক, এইগুলি বিজ্ঞজন নিন্দিত, এইগুলি সম্পাদিত হইলে, গৃহীত হইলে অহিতাবহ ও দুঃখাবহ হইবে, কেবল তখনিই আপনারা তাহা বর্জন করিবেন।”

“কালামগণ, আপনাদের কি মনে হয়, মানুষের মনে যে লোভ উৎপন্ন হয় তাহা কি তাহার হিত সাধন করে, না অহিত সাধন করে?” “ভন্তে, তাহা অহিত সাধন করে।

কালামগণ, লুব্ধ লোভাভিভূত ব্যক্তি লোভের বশীভূত হইয়া প্রাণিহত্যা করে, পরদ্রব্য হরণ করে, পরদার গমন করে, মিথ্যা কথা বলে এবং অপরকেও সেই অধর্মের পথে নেয় যাহা চিরকালের জন্য তাহার দুঃখ উৎপাদন করে, অহিত সাধন করে।” “হ্যাঁ ভন্তে।”

“হে কালামগণ, আপনাদের কি মনে হয়, মানুষের মনে যে দ্বেষ উৎপন্ন হয় তাহা কি তাহার হিতের জন্য উৎপন্ন হয়, না অহিতের জন্য উৎপন্ন হয়?” “ভদন্ত, তাহার অহিতের জন্য উৎপন্ন হয়।”

“হে কালামগণ, প্রদুষ্ট, দ্বেষাভিভূত ব্যক্তি কী দ্বেষের বশীভূত হইয়া কী প্রাণিহত্যা, অদত্তবস্তু গ্রহণ, পরদার লংঘন, মিথ্যা ভাষণ করে এবং অপরকেও সেই অধর্মের পথে নেয় যাহা চিরকালের জন্য তাহার দুঃখ ও অহিত সাধন করে?” “হ্যাঁ ভদন্ত, করে।”

“হে কালামগণ, আপনাদের কী মনে হয়, যখন মানুষ মোহের বশীভূত হইয়া মোহগ্রস্ত হয় তাহা কি তাহার হিত সাধন করে, না অহিত সাধন করে?” “ভদন্ত, তাহা অহিত সাধন করে।”

“হে কালামগণ, মোহ দ্বারা মোহিত ব্যক্তি কি প্রাণিহত্যা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা ভাষণ করে না এবং অপরকেও কি অধর্মের পথে নেয় না যাহা চিরকালের জন্য তাহার দুঃখ ও অহিত সাধন করে? “হ্যাঁ ভদন্ত, করে।”

“হে কালামগণ, আপনাদের কী মনে হয়? এইগুলি কি কুশলমূলক না অকুশলমূলক?” “ভন্তে, অকুশলমূলক।” “হে কালামগণ, এইগুলি কি দোষজনক না দোষজনক নহে?” “ভদন্ত, দোষজনক।” “হে কালামগণ, এইগুলি কি বিজ্ঞ-নিন্দিত না অনিন্দিত?” “ভদন্ত, বিজ্ঞ-নিন্দিত।” “হে কালামগণ, এইগুলি সম্পাদিত ও গৃহীত হইলে কি অহিত ও দুঃখ সাধিত হয় না নহে?” “মনে হয় এইগুলি দ্বারা দুঃখই সাধিত হয়।”

“হে কালামগণ, তাই আপনাদের প্রতি আমার বক্তব্য হইল, “জনশ্রুতিবশত কোনো মতবাদ গ্রহণ করিবেন না। পুরুষ পরস্পরাগত বলিয়া বিশ্বাস করিবেন না, ইহা এই রকম বলিয়া অন্ধ বিশ্বাসে বিভ্রান্ত হইবেন না, শাস্ত্রে উক্ত হইয়াছে বলিয়া মানিয়া নিবেন না, তর্ক প্রসূত মতে আস্থা স্থাপন করিবেন না, অনুমানবশত কোনো কিছু গ্রহণ করিবেন না। নিজের মতের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বলিয়া সত্য বলিয়া গ্রহণ করিবেন না, ধর্মগুরুর প্রতি শ্রদ্ধাবশত কোনো মতবাদ গ্রহণ করিবেন না। কিন্তু কালামগণ, যখন আপনারা নিজেরাই জানিবেন যে, এই ধর্মগুলি অকুশল, এইগুলি দোষজনক, এইগুলি বিজ্ঞ ব্যক্তি কর্তৃক নিন্দিত, এইগুলি সম্পাদিত ও গৃহীত হইলে অহিত ও দুঃখই উৎপন্ন হইবে তখন আপনারা এইগুলি পরিত্যাগ করিবেন।” এইসব বলার পিছনে আমার এই যুক্তি।”

“হে কালামগণ, আপনারা জনশ্রুতিবশত কোনো মতবাদ গ্রহণ করিবেন না। পুরুষ পরস্পরাগত বলিয়া বিশ্বাস করিবেন না, ইহা এই রকম বলিয়া অন্ধ বিশ্বাসে বিভ্রান্ত হইবেন না, শাস্ত্রে উক্ত হইয়াছে বলিয়া মানিয়া নিবেন না, তর্কপ্রসূত মতে আস্থা স্থাপন করিবেন না, অনুমানবশত কোনো কিছু গ্রহণ করিবেন না। নিজের মতের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বলিয়া সত্য বলিয়া গ্রহণ করিবেন না, ধর্মগুরুর প্রতি শ্রদ্ধাবশত কোনো মতবাদ করিবেন না। কিন্তু কালামগণ, যখন আপনারা নিজেরাই জানিবেন যে, এই ধর্মগুলি কুশলমূলক, এইগুলি নির্দোষ, বিজ্ঞ ব্যক্তি কর্তৃক প্রশংসিত, এইগুলি অনুসরণ করিলে মঙ্গল সাধিত হইবে এবং সুখ উৎপন্ন হইবে তখন আপনারা এইগুলি সম্পাদন করিবেন।”

“হে কালামগণ, আপনাদের কী মনে হয়, মানুষের অন্তর লোভশূন্য হয় তাহা কি তাহার হিত সাধন করে, না অহিত সাধন করে?”

“ভদন্ত, হিত সাধন করে।”

“হে কালামগণ, অলুব্ধ লোভে অনভিভূত পুরুষ কি প্রাণিহত্যা হইতে বিরত হয় না, অদত্তবস্তু গ্রহণ হইতে বিরত হয় না, ব্যভিচার করা হইতে বিরত হয় না, মিথ্যাভাষী হইতে বিরত হয় না এবং পরকেও কি সেইসব হইতে বিরত করে না যাহা দীর্ঘকাল যাবৎ তাহার হিত ও সুখের কারণ হয়?” “হ্যাঁ ভদন্ত।”

“হে কালামগণ, আপনাদের কি মনে হয়, মানুষের অন্তর বিদ্বেষপরায়ণ না হইলে তাহা কি তাহার হিত সাধন করে, না অহিত সাধন করে?”

“ভদন্ত, তাহা মানুষের হিত সাধন করে।”

“হে কালামগণ, অদুষ্ট, বিদ্বেষে অনভিভূত পুরুষ কি প্রাণিহত্যা বিরত হয় না, অদত্তবস্তু গ্রহণ হইতে বিরত হয় না, ব্যভিচার বিরত হয় না, মিথ্যা ভাষণ বিরত হয় না এবং অপরকেও কি তাহা হইতে বিরত করে না যাহা দীর্ঘকাল তাহার হিত ও সুখ উৎপাদন করে?” “হ্যাঁ ভদন্ত।”

“হে কালামগণ, আপনাদের কি মনে হয়, অমূঢ়, মোহে অনভিভূত পুরুষ কি তাহার হিত সাধন করে, না অহিত সাধন করে?” “ভদন্ত, হিত সাধন করে।” “হে কালামগণ, মূঢ়, মোহে অনভিভূত পুরুষ কি প্রাণিহত্যা বিরত হয় না, অদত্তবস্তু গ্রহণ বিরত হয় না, পরদার গমন বিরত হয় না, মিথ্যা ভাষণ বিরত হয় না, এবং অপরকেও কি তাহা হইতে বিরত করে না যাহা দীর্ঘকাল যাবৎ তাহার হিত ও সুখ সাধন করে?” “হ্যাঁ ভদন্ত।”

“হে কালামগণ, আপনাদের কী মনে হয়, এইগুলি কি কুশল না অকুশল?” “ভন্তে কুশল।” “এইগুলি কি দোষাবহ না দোষাবহ নহে?” “ভন্তে, দোষাবহ নহে।” “এইগুলি কি বিজ্ঞদের নিন্দিত না প্রশংসিত?” “ভদন্ত, প্রশংসিত।” “এইগুলি সম্পাদিত ও কৃত হইলে কি হিত সাধন করে না অহিত সাধন করে?” “ভদন্ত, হিত সাধন করে।” “ইহাই আমার বলিয়া যুক্তি।”

“হে কালামগণ, আপনারা জনশ্রুতিবশত কোনো মতবাদ গ্রহণ করিবেন না। পুরুষ পরস্পরাগত বলিয়া বিশ্বাস করিবেন না, ইহা এই রকম বলিয়া অন্ধ বিশ্বাসে বিভ্রান্ত হইবেন না, শাস্ত্রে উক্ত হইয়াছে বলিয়া মানিয়া নিবেন না, তর্কপ্রসূত মতে আস্থা স্থাপন করিবেন না, অনুমানবশত কোনো কিছু গ্রহণ করিবেন না। নিজের মতের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বলিয়া সত্য বলিয়া গ্রহণ করিবেন না, ধর্মগুরুর প্রতি শ্রদ্ধাবশত কোনো মতবাদ গ্রহণ করিবেন না। যখন আপনারা নিজেরাই জানিবেন যে, এইগুলি কুশলমূলক, এইগুলি নির্দোষ, বিজ্ঞ ব্যক্তি কর্তৃক প্রশংসিত, এইগুলি অনুসরণ করিলে মঙ্গল সাধিত হইবে এবং সুখ উৎপন্ন হইবে তবে এইগুলি সম্পাদন করিবেন এবং তাহাতে অবস্থান করিবেন।”

“হে কালামগণ, যখন আর্যশ্রাবক লোভহীন, বিদ্বেষহীন, মোহহীন, জ্ঞানসম্পন্ন আত্ম-সংযত স্মৃতিযুক্ত মৈত্রীচিত্ত, করুণা-চিত্ত, মুদিতাচিত্ত, উপেক্ষাশীল হন তিনি সমগ্র জগৎকে বিপুল অপ্রমাণ মৈত্রীধারায় পৱাবিত করিয়া একদিক পূর্ণ করিয়া অবস্থান করেন, তথা দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দিকও। তদ্রূপ উর্ধ্ব, অধঃ, তির্যক সর্বত্র সর্ব প্রকার সর্বাবস্থায় জগৎ পূর্ণ করিয়া উপেক্ষা-সহগত চিত্তে বিপুল ও অপ্রমাণ মৈত্রী পোষণ করিয়া বিহার করেন। এইভাবে সেই আর্যশ্রাবক বৈরীশূন্য, বিদ্বেষশূন্য অসংক্লিষ্ট বিশুদ্ধচিত্ত হন, তিনি ইহজীবনেই চারি আশ্বাস লাভ করেন।”

“যদি পরলোক থাকে, সুকর্ম-দুষ্কর্মের ফল থাকে বিপাক থাকে তবে দেহভেদে মৃত্যু হইলে নিশ্চয়ই আমি সুগতি স্বর্গলোকে উৎপন্ন হইব।” ইহা তাঁহার প্রথম আশ্বাস। “যদি পরলোক না থাকে সুকর্ম দুষ্কর্মের ফল না থাকে তাহা হইলেও আমি ইহজীবনেই শত্রুতাশূন্য, দ্বেষশূন্য, উপদ্রবশূন্য সুখময় জীবনযাপন করি।” ইহা তাঁহার দ্বিতীয় আশ্বাস। “যদি পাপ করিলে পাপ হয় আমি পাপ চেতনা মনে স্থান দিই না। সুতরাং যদি আমি পাপ চিন্তা পোষণ না করি তাহা হইলে কিভাবে পাপ আমাকে স্পর্শ করিতে পারে?” ইহা তাঁহার তৃতীয় আশ্বাস। “যদি কর্মের ফলবশত আমি কোনো পাপ কর্ম না করি তাহা হইলে আমি উভয় প্রকারে শুদ্ধ জীবনযাপন করি।” ইহা তাঁহার চতুর্থ সুখ। “এইরূপেই কালামগণ, সেই আর্যশ্রাবক বৈরীশূন্য, দ্বেষশূন্য, উপদ্রবশূন্য, বিশুদ্ধচিত্ত হইয়া ইহজীবনেই এই চারি সুখ লাভ করেন।”

“ভগবান, তাহা এইরূপ, সুগত, তাহা এইরূপ। যে আর্যশ্রাবকের চিত্ত বৈরীশূন্য, দ্বেষশূন্য, অসংক্লিষ্ট, বিশুদ্ধচিত্ত তিনি ইহজীবনেই চারি সুখ লাভ করেন। যদি পরলোক থাকে, সুকর্ম-দুষ্কর্মের ফল থাকে বিপাক থাকে তবে দেহ ভেদে মৃত্যু হইলে নিশ্চয়ই আমি সুগতি স্বর্গলোকে উৎপন্ন হইব।” ইহা তাঁহার প্রথম আশ্বাস। যদি পরলোক না থাকে, সুকর্ম-দুষ্কর্মের ফল না থাকে তাহা হইলেও আমি ইহজীবনেই শত্রুতাশূন্য, দ্বেষশূন্য, উপদ্রবশূন্য সুখময় জীবনযাপন করি।” ইহা তাঁহার দ্বিতীয় আশ্বাস। সুতরাং যদি আমি পাপ চিন্তা পোষণ না করি, তাহা হইলে কিভাবে পাপ আমাকে স্পর্শ করিতে পারে?” ইহা তাঁহার তৃতীয় আশ্বাস। যদি কর্মের ফলবশত আমি কোনো পাপ কর্ম না করি, তাহা হইলে আমি উভয় প্রকারে শুদ্ধ জীবনযাপন করি।” ইহা তাঁহার চতুর্থ সুখ। এইরূপে ভদন্ত, সেই আর্যশ্রাবক বৈরীশূন্য, দ্বেষশূন্য, অসংক্লিষ্ট, বিশুদ্ধচিত্ত, তিনি ইহজীবনেই চারি সুখ লাভ করেন। “ভদন্ত, অদ্ভুত! আশ্চর্য! ভদন্ত, আমরা এখন ভগবানের শরণ গ্রহণ করিতেছি, ধর্ম এবং ভিক্ষুসংঘেরও। ভন্তে ভগবান। আজ হইতে আমৃত্যু আমাদিগকে শরণাগত উপাসক হিসেবে গ্রহণ করুন।”

ব্যাখ্যা [০]