লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [২১]

প্রথম ভব সূত্র

“তৎপর শ্রদ্ধেয় আনন্দ ভগবানের দর্শনে আসেন। আসিয়া একপ্রান্তে উপবেশন করিলেন। একপ্রান্তে উপবিষ্ট আয়ুষ্মান আনন্দ ভগবানকে এইরূপ বলেন, “ভন্তে, ভব” বলা হয়। ভন্তে, ভব কতটুকু পর্যন্ত? “আনন্দ, যদি কামেন্দ্রিয়-জগৎ না থাকিত এবং তথায় কোনো কর্ম পরিপক্ব না হইত তাহা হইলে ইন্দ্রিয় ভব কি প্রকাশিত হইত?” ভন্তে, কিছুতেই না।” এইভাবে আনন্দ, কর্ম হইল ক্ষেত্র, বিজ্ঞান বীজ, তৃষ্ণা রস। যেসব সত্তা অবিদ্যা দ্বারা বাধাগ্রস্ত, তৃষ্ণা দ্বারা আবদ্ধ তাহাদের বিজ্ঞান হীনলোকে প্রতিষ্ঠিত। এইরূপে ভবিষ্যতে পুনর্জন্ম হয়। আনন্দ, এইভাবে ভব আছে।

আনন্দ, যদি রূপধাতু না থাকিত এবং তথায় কোনো কর্ম পরিপক্ব না হইত তাহা হইলে কি রূপভব প্রকাশ পাইত?” “ভন্তে, নিশ্চয়ই না।” “এইভাবে আনন্দ, কর্ম হইল ক্ষেত্র, বিজ্ঞান বীজ, তৃষ্ণা রস। যেসব সত্তা অবিদ্যা দ্বারা বাধাগ্রস্ত, তৃষ্ণা দ্বারা আবদ্ধ তাহাদের বিজ্ঞান মধ্যম লোকে প্রতিষ্ঠিত। এইরূপে ভবিষ্যতে পুনর্জন্ম হয়।

পুনঃ আনন্দ, যদি অরূপ ধাতু (জগৎ) না থাকিত এবং তথায় কোনো কর্ম পরিপক্ব হওয়ার না থাকিত তাহা হইলে কি অরূপভব প্রকাশ পাইত?” “ভন্তে, নিশ্চয়ই না।” “এইভাবে আনন্দ, কর্ম হইল ক্ষেত্র, বিজ্ঞান বীজ, তৃষ্ণা রস। যেসব সত্তা অবিদ্যা দ্বারা বাধাগ্রস্ত, তৃষ্ণা দ্বারা আবদ্ধ তাহাদের বিজ্ঞান উত্তম লোকে প্রতিষ্ঠিত। এইরূপে ভবিষ্যতে পুনর্জন্ম হয়। আনন্দ, এইভাবে ভব আছে।”

ব্যাখ্যা [০]