লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

শরৎ সূত্র

“যেমন ভিক্ষুগণ, শরৎকালে যখন আকাশ স্বচ্ছ এবং মেঘমুক্ত আকাশে উদীয়মান সূর্য স্বর্গের সকল অন্ধকার অপসারিত করে এবং আলো দেয় প্রজ্জ্বলিত হয় এবং দীপ্তি পায় তদ্রূপ ভিক্ষুগণ, আর্যশ্রাবকের বিরজ (নিখুঁত), বীতমল (নিষ্কলঙ্ক) প্রজ্ঞাচক্ষু উৎপন্ন হয় এবং ইহার উৎপত্তিতে ত্রি-সংযোজন (বন্ধন) পরিত্যক্ত হয়, যেমন সৎকায়দৃষ্টি (আত্মবাদ), বিচিকিৎসা (দোদুল্যমানভাব-সন্দেহ), শীলব্রত পরামর্শ (ব্রতশুদ্ধিবাদ) কেবল তাহাই নহে, (লোভ এবং দ্বেষ) এই দুই বিষয় হইতে সে মুক্ত হয়। এই শ্রাবক কাম এবং অকুশল বিষয় হইতে নির্লিপ্ত হইয়া সবিতর্ক-সবিচার (মননশীল পর্যবেক্ষণশীলতাসহ) বিবেকজনিত প্রীতিসুখযুক্ত প্রথম ধ্যান লাভ করে এবং তাহাতে অবস্থান করে। ভিক্ষুগণ, সেই সময়ে যদি আর্যশ্রাবক মৃত্যুবরণ করেন তাঁহার সংযোজন থাকে না যদ্বারা তাঁহাকে পুনশ্চ এই জগতে আগমন করিতে হয়।

ব্যাখ্যা [০]