লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৪]

শয়ন সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, শয়ন বা শয্যা চার প্রকার। সেই চার প্রকার কী কী? যথা : প্রেত শয়ন, কামভোগী শয়ন, সিংহ শয়ন ও তথাগত শয়ন।

প্রেত শয়ন কিরূপ? প্রেতগণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে চিত হয়ে শয়ন করে। একে বলে প্রেত শয়ন।

কামভোগী শয়ন কিরূপ? অধিকাংশ ক্ষেত্রে কামভোগীরা বাম পার্শ্ব হয়ে শয়ন করে। একে বলে কামভোগী শয়ন।

সিংহ শয়ন কিরূপ? পশুরাজ সিংহ দক্ষিণ পার্শ্ব করে শয়নে অবস্থান করে এবং পায়ের উপর পা রেখে দুই ঊর্ব মাঝখানে লেজ স্থাপন করে। সে জাগ্রত হয়ে প্রথমে দেহকে খাড়াভাবে রাখে এবং পরে অবলোকন করে। পশুরাজ সিংহ যদি দেহের কিঞ্চিন্মাত্র বিক্ষিপ্ত ও পরিব্যাপ্ত দেখে, তখন সে নিরানন্দিত হয়। আর পশুরাজ সিংহ যদি কিঞ্চিন্মাত্র দেহের বিক্ষিপ্ত ও পরিব্যাপ্ত না দেখে, তখন সে আনন্দিত হয়। একেই বলে সিংহ শয়ন।

তথাগত শয়ন কিরূপ? এ জগতে তথাগত সুখ-দুঃখের পরিত্যাগ এবং পূর্বেই মানসিক সৌমনস্য-দৌর্মনস্য পরিহারপূর্বক সুখ-দুঃখহীন ‘উপেক্ষা ও স্মৃতি পরিশুদ্ধি’ নামক চতুর্থ ধ্যানস্তর লাভ করে অবস্থান করে। একে বলে তথাগত শয়ন।

ভিক্ষুগণ, এগুলোই চার প্রকার শয়ন বা শয্যা।” (চতুর্থ সূত্র)

ব্যাখ্যা [০]