লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৩]

কর্ম সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, চার ধর্মে সমন্বিত মূর্খ, অনভিজ্ঞ ও অসৎপুরুষ নিজেকে ক্ষত, উপহত করে এবং বিজ্ঞজনের নিকট দোষণীয় ও নিন্দনীয় হয়ে বহু অপুণ্য উৎপন্ন করে। সেই চার ধর্ম কী কী? যথা : নিন্দার্হ কায়কর্ম, নিন্দার্হ বাক্যকর্ম, নিন্দার্হ মনঃকর্র্ম ও নিন্দার্হ মিথ্যাদৃষ্টি।

এই চার ধর্মে সমন্বিত মূর্খ, অনভিজ্ঞ ও অসৎপুরুষ নিজেকে ক্ষত উপহত করে রাখে এবং বিজ্ঞজনের নিকট দোষী ও নিন্দনীয় হয়ে বহু অপুণ্য উৎপন্ন করে।

এই চার ধর্মে সমন্বিত পণ্ডিত, বিজ্ঞ ও সৎপুরুষ নিজেকে অক্ষত, অনাহত রাখে এবং বিজ্ঞজনের নিকট অনিন্দনীয়, প্রশংসনীয় হয়ে বহু পুণ্য প্রসব করে। সেই চার ধর্ম কী কী? যথা : অবর্জনীয় বা নির্দোষ কায়কর্ম, অবর্জনীয় বাক্যকর্ম, অবর্জনীয় মনঃকর্র্ম ও অবর্জনীয় সম্যক দৃষ্টি।

এই চার ধর্মে সমন্বিত পণ্ডিত, বিজ্ঞ ও সৎপুরুষ নিজেকে অক্ষত ও অনাহত রাখে এবং বিজ্ঞগণের নিকট নির্দোষী, প্রশংসনীয় হয়ে বহু পুণ্য উৎপন্ন করে।” (দশম সূত্র)

অভিজ্ঞা বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

অভিজ্ঞা, পর্যবেক্ষণ, সংগ্রহ ও মালুক্যপুত্র,
কুল এবং দুই আজানীয়, বল, অরণ্য, কর্ম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]