লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

সুপ্রবাসা সূত্র

একসময় ভগবান কোলিয়রাজ্যে পজ্জনিক নামক কোলিয় নিগমে অবস্থান করছিলেন। একদিন ভগবান পূর্বাহ্ণ সময়ে চীবর পরিধানপূর্বক পাত্র গ্রহণ করে কোলিয়কন্যা সুপ্রবাসার গৃহে উপস্থিত হলেন। উপস্থিত হয়ে প্রজ্ঞাপ্ত আসনে উপবেশন করলেন। তখন কোলিয়কন্যা সুপ্রবাসা স্বহস্তে ভগবানকে উৎকৃষ্ট খাদ্য-ভোজনাদি দান দিয়ে পরিতৃপ্ত, পরিতুষ্ট করলেন। অতঃপর ভগবানের ভোজনকৃত্য শেষ হলে একপার্শ্বে উপবেশন করলেন। উপবিষ্টা সুপ্রবাসাকে ভগবান এরূপ বললেন, “সুপ্রবাসে, ভোজনদাতা আর্যশ্রাবিকা প্রতিগ্রাহকদের চারটি বিষয় দান করে। সেই চারটি কী কী? যথা : আয়ু দান করে, বর্ণ দান করে, সুখ দান করে, বল দান করে। আয়ু দান করে দাতা মনুষ্যলোকে মনুষ্য-আয়ু এবং দেবলোকে দেব-আয়ুর ভাগী হয়। বর্ণ দান করে মনুষ্যলোকে মনুষ্যবর্ণ এবং দেবলোকে দেববর্ণের ভাগী হয়। সুখ দান করে মনুষ্যলোকে মনুষ্যসুখ এবং দেবলোকে দেবসুখের ভাগী হয়। বল দান করে মনুষ্যলোকে মনুষ্যবল এবং দেবলোকে দেববলের ভাগী হয়। সুপ্রবাসে, ভোজনদাতা আর্যশ্রাবিকা প্রতিগ্রাহকদের এই চারটি বিষয় দান করে।”

“উত্তম ভোজন দান করে যে-জন,
লভে সে উত্তম, বিশুদ্ধ ব্যঞ্জন।
ঋজুভাবে সম্পন্ন হলে দাক্ষিণ্য,
ফল লভে মহা, অমূল্য।
পুণ্য সম্পাদনে, পুণ্যে উপযুক্ত,
ফলদায়ক ইহা, লোকজ্ঞ বর্ণিত।
এরূপ পুণ্যযজ্ঞে যারা অনুচারী,
এ জগতে তারা আনন্দ বিচরি।
অপসারণ করে যেবা মাৎসর্যমল,
অনিন্দিত সেই, স্বর্গে উৎপন্ন।” (সপ্তম সূত্র)

ব্যাখ্যা [০]