লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

অল্পশ্রুত সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, পৃথিবীতে চার প্রকার পুদ্গল বিদ্যমান। সেই চার প্রকার পুদ্গল কী কী? যথা : শ্রুতি দ্বারা অনধিকৃত অল্পশ্রুত, শ্রুতি দ্বারা অধিকৃত অল্পশ্রুত, শ্রুতি দ্বারা অনধিকৃত বহুশ্রুত, শ্রুতি দ্বারা অধিকৃত বহুশ্রুত।

ভিক্ষুগণ, কীভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অনধিকৃত অল্পশ্রুত হয়? এ জগতে কোনো পুদ্গল সূত্র, গেয়, ব্যাকরণ, গাথা, উদান, ইতিবুত্তক, জাতক, অদ্ভুতধর্ম, বেদল্ল-এই নবাঙ্গ শাসন সম্পর্কে অল্পশ্রুত হয়। সেই অল্পশ্রুত হওয়ার কারণে তার অর্থ, ধর্ম যথার্থ জ্ঞাত হয় না; ফলে সে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয় না। এভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অনধিকৃত অল্পশ্রুত হয়।

কীভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অধিকৃত অল্পশ্রুত হয়? এ জগতে কোনো পুদ্গল সূত্র, গেয়, ব্যাকরণ, গাথা, উদান, ইতিবুত্তক, জাতক, অদু্ভতধর্ম, বেদল্ল-এই নবাঙ্গ শাসন সম্পর্কে অল্পশ্রুত হয়। অল্পশ্রুত হলেও তার শ্রুত বিষয়ের অর্থ, ধর্ম যথার্থ জ্ঞাত হয়; ফলে সে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয়। এভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অধিকৃত অল্পশ্রুত হয়।

কীভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অনধিকৃত বহুশ্রুত হয়? এ জগতে কোনো পুদ্গল সূত্র, গেয়, ব্যাকরণ, গাথা, উদান, ইতিবুত্তক, জাতক, অদ্ভুতধর্ম, বেদল্ল-এই নবাঙ্গ শাসন সম্পর্কে বহুশ্রুত হয়। বহুশ্রুত হলেও তার অর্থ, ধর্ম যথার্থ জ্ঞাত হয় না; ফলে সে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয় না। এভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অনধিকৃত বহুশ্রুত হয়।

কীভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অধিকৃত বহুশ্রুত হয়? এ জগতে কোনো পুদ্গল সূত্র, গেয়, ব্যাকরণ, গাথা, উদান, ইতিবুত্তক, জাতক, অদ্ভুতধর্ম, বেদল্ল-এই নবাঙ্গ শাসন সম্পর্কে বহুশ্রুত হয়। সেই বহুশ্রুত হওয়ার কারণে তার অর্থ, ধর্ম যথার্থ জ্ঞাত হয়; ফলে সে ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন হয়। এভাবে পুদ্গল শ্রুতি দ্বারা অধিকৃত বহুশ্রুত হয়।

“ভিক্ষুগণ, এই চার প্রকার পুদ্গল জগতে বিদ্যমান।”
“অল্পশ্রুত হয়ে যদি শীলে হয় অসমাহিত,
শ্রুতি আর শীল হীনে সে হয় নিন্দিত।
অল্পশ্রুত হয়ে যদি শীলে হয় সুসমাহিত,
শীল হেতু প্রশংসা তার, শ্রুতিতে নন্দিত।
বহুশ্রুত হয়ে যদি শীলে হয় অসমাহিত,
শ্রুতিতে প্রশংসা তার, শীলেতে নিন্দিত।
বহুশ্রুত হয়ে যদি শীলে হয় সুসমাহিত,
শ্রুতি আর শীল হেতু হয় সে প্রশংসিত।
সপ্রাজ্ঞ বুদ্ধশিষ্য বহুশ্রুত ধর্মধর,
খাঁটি স্বর্ণতুল্য তারে কেবা অনাদর?
ব্রহ্মের প্রশংসা, দেবেরও পায় সে আদর।” (ষষ্ঠ সূত্র)

ব্যাখ্যা [০]