লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৪]

দাক্ষিণ্য সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ চার প্রকার। সেই চার প্রকার কী কী? যথা : এরূপ দাক্ষিণ্য আছে, যা দাতার পক্ষ হতে বিশুদ্ধ হয়, গ্রহীতা পক্ষ হতে হয় না। এরূপ দাক্ষিণ্য আছে, যা গ্রহীতা পক্ষ হতে বিশুদ্ধ হয়, দাতা পক্ষ হতে হয় না। এরূপ দাক্ষিণ্য আছে, যা দাতার পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয় না, গ্রহীতা পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয় না। এরূপ দাক্ষিণ্য আছে, যা দাতার পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয়, গ্রহীতা পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয়।

কীভাবে দাতা পক্ষ হতে দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয়, গ্রহীতা পক্ষ হতে হয় না? এ জগতে দাতা শীলবান, কল্যাণধর্মী হয়; কিন্তু গ্রহীতা দুঃশীল, পাপধর্মী। এভাবে দাতা পক্ষ হতে দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয়, গ্রহীতা পক্ষ হতে হয় না।

কীভাবে গ্রহীতা পক্ষ হতে দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয়, দাতা পক্ষ হতে হয় না? এ জগতে দাতা দুঃশীল, পাপধর্মী হয়; কিন্তু গ্রহীতা শীলবান, কল্যাণধর্মী। এভাবে গ্রহীতা পক্ষ হতে দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয়, দাতা পক্ষ হতে হয় না।

কীভাবে দাতা পক্ষ হতেও দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয় না, গ্রহীতা পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয় না? এ জগতে দাতাও দুঃশীল, পাপধর্মী হয়; গ্রহীতাও দুঃশীল, পাপধর্মী হয়। এভাবে দাতা পক্ষ হতেও দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয় না; গ্রহীতা পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয় না।

কীভাবে দাতা পক্ষ হতেও দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয়, গ্রহীতা পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয়? এ জগতে দাতাও শীলবান, কল্যাণধর্মী হয়; গ্রহীতাও শীলবান, কল্যাণধর্মী হয়। এভাবে দাতা পক্ষ হতেও দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ হয়, গ্রহীতা পক্ষ হতেও বিশুদ্ধ হয়। এগুলোই চার প্রকার দাক্ষিণ্য বিশুদ্ধ।” (অষ্টম সূত্র)

ব্যাখ্যা [০]