লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [২০]

চিতার পোড়া কাষ্ঠ সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, জগতে চার প্রকার পুদ্গল বিদ্যমান। সেই চার প্রকার কী কী? যথা : আত্মহিতেও তৎপর নয়, পরহিতেও তৎপর নয়; পরহিতে তৎপর, কিন্তু আত্মহিতে তৎপর নয়; আত্মহিতে তৎপর, কিন্তু পরহিতে তৎপর নয়; আত্মহিতেও তৎপর, পরহিতেও তৎপর।

ভিক্ষুগণ, যেমন চিতায় ব্যবহৃত উভয়দিকে পোড়া, তদুপরি মাঝখানে বিষ্ঠালিপ্ত কাষ্ঠ গ্রামেও আর জ্বালানী কাঠ হিসেবে ব্যবহার করা হয় না অরণ্যেও হয় না; এই আত্মহিতেও তৎপর নয়, পরহিতেও তৎপর নয় পুদ্গলকে আমি তাদৃশই বলি।

যে পুদ্গল পরহিতে তৎপর, কিন্তু আত্মহিতে তৎপর নয়, এই দ্বিতীয় পুদ্গল, প্রথম পুদ্গল হতে অগ্র, শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, প্রধান, পরমোৎকৃষ্টতর। যে পুদ্গল আত্মহিতে তৎপর, কিন্তু পরহিতে তৎপর নয়, এই তৃতীয় পুদ্গল, দ্বিতীয় পুদ্গল হতে অগ্র, শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, প্রধান, পরমোৎকৃষ্টতর। যে পুদ্গল আত্মহিতেও তৎপর, পরহিতেও- এই চতুর্থ পুদ্গল, তৃতীয় পুদ্গল হতে অগ্র, শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, প্রধান, পরমোৎকৃষ্টতর।

ভিক্ষুগণ, যেমন গাভী হতে দুগ্ধ, দুগ্ধ হতে দধি, দধি হতে মাখন, মাখন হতে ঘৃত, ঘৃত হতে ঘৃতমণ্ড হয়। এ ঘৃতমণ্ডই এসবের মধ্যে অগ্র, শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, প্রধান, পরমোৎকৃষ্টতর। তেমনি যে পুদ্গল আত্মহিতেও তৎপর, পরহিতেও তৎপর সে এ চার প্রকার পুদ্গলের মধ্যে অগ্র, শ্রেষ্ঠ, উৎকৃষ্ট, প্রধান, পরমোৎকৃষ্টতর। এই চার প্রকার পুদ্গল জগতে বিদ্যমান।” (পঞ্চম সূত্র)

ব্যাখ্যা [০]