লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৪]

প্রথম অপরিহানি সূত্র

অতঃপর জনৈক দেবতা রাত্রির শেষ ভাগে কমনীয়রূপে সমগ্র জেতবন উদ্ভাসিত করে ভগবৎ সকাশে উপস্থিত হলেন। উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে একপাশে স্থিত হলেন। একপাশে স্থিত সেই দেবতা ভগবানকে বললেন :

“ভন্তে, ছয় প্রকার বিষয় ভিক্ষুর অপরিহানির জন্য চালিত হয়। সেই ছয় প্রকার বিষয় কী কী? যথা : শাস্তার প্রতি গারবতা, ধর্মের প্রতি গারবতা, সংঘের প্রতি গারবতা, শিক্ষার প্রতি গারবতা, অপ্রমাদের প্রতি গারবতা এবং মৈত্রীপূর্ণ সাদর সম্ভাষণের প্রতি গারবতা। ভন্তে, এই ছয় প্রকার বিষয় ভিক্ষুর অপরিহানির জন্য চালিত হয়।” সেই দেবতা এইরূপ বললে ভগবান তা অনুমোদন করলেন। ‘শাস্তা আমার বাক্য অনুমোদন করেছেন’ ইহা জ্ঞাত হয়ে সেই দেবতা ভগবানকে অভিবাদন করে প্রদক্ষিণপূর্বক সে-স্থানেই অন্তর্হিত হলেন।

অতঃপর সেই রাত্রির অবসানে প্রত্যুষে ভগবান ভিক্ষুদের আহ্বান করে বললেন, “ভিক্ষুগণ, জনৈক দেবতা অদ্য রাত্রির শেষ ভাগে কমনীয়রূপে সমগ্র জেতবন উদ্ভাসিত করে আমার নিকট উপস্থিত হলো। উপস্থিত হয়ে আমাকে অভিবাদন করে একপাশে দাঁড়ালো। একপাশে স্থিত হয়ে সেই দেবতা আমাকে বলল, ‘ভন্তে, ছয় প্রকার বিষয় ভিক্ষুর অপরিহানির জন্য চালিত হয়। সেই ছয় প্রকার বিষয় কী কী? যথা : শাস্তার প্রতি গারবতা, ধর্মের প্রতি গারবতা, সংঘের প্রতি গারবতা, শিক্ষার প্রতি গারবতা, অপ্রমাদের প্রতি গারবতা এবং মৈত্রীপূর্ণ সাদর সম্ভাষণের প্রতি গারবতা। ভন্তে, এই ছয় প্রকার বিষয় ভিক্ষুর অপরিহানির জন্য চালিত হয়।’ ভিক্ষুগণ, সেই দেবতা আমাকে এরূপ বলে অভিবাদনপূর্বক প্রদক্ষিণ করে সে-স্থানেই অন্তর্হিত হলো।”

বুদ্ধ, ধর্ম, সংঘে যার তীব্র গারবতা,
অপ্রমাদ ও মৈত্রীবাক্যে আছে প্রফুল্লতা;
তাদৃশ ভিক্ষুর নহে পরিহানি কদাচন,
নির্বাণের সন্নিধানে হয় তারই গমন।

প্রথম অপরিহানি সূত্র সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [০]