আমি এইরূপ শুনিয়াছি।
এক সময় ভগবান শ্রাবস্তী-সমীপে অবস্থান করিতেছিলেন জেতবনে অনাথপিণ্ডিকের আরামে। তথায় ভগবান ভিক্ষুদিগকে আহ্বান করিলেন, “ভিক্ষুগণ।” “ভদন্ত”, বলিয়া ভগবানকে প্রত্যুত্তর দিলেন। ভগবান বলিলেন, “ভিক্ষুগণ, তোমাদিগকে ষড়ায়তনবিভঙ্গ দেশনা করিব। উত্তমরূপে মনোনিবেশ করো, আমি বিবৃত করিতেছি।” “হ্যাঁ ভদন্ত” বলিয়া ভিক্ষুগণ ভগবানকে প্রত্যুত্তর দিলেন। ভগবান বলিলেন :
ছয় আধ্যাত্মিক (অভ্যন্তরীণ) আয়তন সংবেদ্য, ছয় বহিরায়তন সংবেদ্য, ছয় বিজ্ঞানকায় সংবেদ্য, ছয় স্পর্শকায় সংবেদ্য, অষ্টাদশ মন-উপবিচার (প্রয়োগক্ষেত্র) সংবেদ্য, ছত্রিশ সত্ত্বপদ সংবেদ্য। এই কারণে ইহা ত্যাগ করো। তিন প্রকার স্মৃতি-প্রস্থান আছে যাহা আর্য শাস্তা পালন করিয়া গণকে (শিষ্যদের) অনুশাসন করিতে সমর্থ। দক্ষ রথাচার্যদের মধ্যে তাঁহাকে বলা হয় অনুত্তর দম্যপুরুষরাসথি। ইহাই ষড়ায়তনবিভঙ্গের উদ্দেশ।
ইহা বিবৃত হইয়াছে : “ছয় আধ্যাত্মিক আয়তন সংবেদ্য।” তাহা কী সম্পর্কে বিবৃত হয়? চক্ষু-আয়তন (ক্ষেত্র), শ্রোত্র-আয়তন, ঘ্রাণ-আয়তন, জিহ্বা-আয়তন, কায়-আয়তন ও মন-আয়তন সম্পর্কে। যখন ইহা বিবৃত হয়… এই সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে।
ইহা বিবৃত হইয়াছে : “ছয় বাহিরায়তন সংবেদ্য।” ইহা কী সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে? রূপ-আয়তন, শব্দ-আয়তন, গন্ধ-আয়তন, রস-আয়তন, স্পর্শ-আয়তন ও ধর্ম-আয়তন সম্পর্কে। যখন ইহা বিবৃত হয়… এই সম্পর্কেই বিবৃত হইয়াছে।
ইহা বিবৃত হইয়াছে : “ছয় বিজ্ঞানকায় সংবেদ্য।” ইহা কী সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে? চক্ষু-বিজ্ঞান, শ্রোত্র-বিজ্ঞান, ঘ্রাণ-বিজ্ঞান, জিহ্বা-বিজ্ঞান, কায়বিজ্ঞান ও মন-বিজ্ঞান সম্পর্কে।…
ইহা বিবৃত হইয়াছে : “ছয় স্পর্শকায় সংবেদ্য। ইহা কি সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে? চক্ষু-স্পর্শ, শ্রোত্র-স্পর্শ, ঘ্রাণ-স্পর্শ, জিহ্বা-স্পর্শ, কায়-স্পর্শ, মন-স্পর্শ সম্পর্কে।… এই সম্পর্কেই বিবৃত হইয়াছে।
ইহা বিবৃত হইয়াছে : “অষ্টাদশ মন-উপবিচার সংবেদ্য।” ইহা কী সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে? চক্ষুদ্বারা রূপ দর্শন করিয়া সৌমনস্য স্থানীয় (সৌমনস্য-উদ্দীপক) রূপকে উপবিচার করে (প্রয়োগক্ষেত্র নির্ণয় করে), দৌর্মনস্য উদ্দীপক রূপকে উপবিচার করে ও উপেক্ষা উদ্দীপক রূপকে উপবিচার করে, শ্রোত্র দ্বারা শব্দ শুনিয়া, ঘ্রাণ দ্বারা গন্ধ আঘ্রাণ করিয়া, জিহ্বা দ্বারা রস আস্বাদন করিয়া, কায় দ্বারা স্পর্শ লাভ করিয়া, মন দ্বারা ধর্মকে (বিষয়) জানিয়া সৌমনস্য-দৌর্মনস্য উপেক্ষা-উদ্দীপক ধর্মকে উপবিচার করে।… এই অষ্টাদশ মন-উপবিচার সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে।
ইহা বিবৃত হইয়াছে : “ছত্রিশ সত্ত্বপদ সংবেদ্য।” ইহা কি সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে? ছয় গৃহীজনোচিত সৌমনস্য, ছয় নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত সৌমনস্য, ছয় গৃহীজনোচিত দৌর্মনস্য, ছয় নৈষ্ক্রম্যোচিত দৌর্মনস্য, ছয় গৃহীজনোচিত উপেক্ষা, ছয় নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত উপেক্ষা সম্পর্কে।
ছয় গৃহীজনোচিত সৌমনস্য কী কী?
চক্ষুবিজ্ঞেয় রূপ যাহা ইষ্ট, কান্ত, মনোজ্ঞ, মনোরম লোকামিষ (জাগতিক লাভ) প্রতিসংযুক্ত তাহার প্রতিলাভ লাভ করিয়া বা দেখিয়া বা পূর্বলব্ধ অতীত নিরুদ্ধ ও বিপরিণতকে স্মরণ করিয়া সৌমনস্য উৎপন্ন হয়। শ্রোত্রবিজ্ঞেয় শব্দ, ঘ্রাণবিজ্ঞেয় গন্ধ, জিহ্বাবিজ্ঞেয় রস, কায়বিজ্ঞেয় স্পর্শ ও মনোবিজ্ঞেয় ধর্ম সম্পর্কেও এইরূপ। এই ছয়টি গৃহীজনোচিত সৌমনস্য।
ছয় নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত সৌমনস্য কী কী?
রূপের অনিত্যতা, বিপরিণাম, বিরাগ ও নিরোধ জানিয়া “পূর্বে এবং এখন রূপ অনিত্য, দুঃখ, বিপরিণামধর্মী” সম্যক প্রজ্ঞা দ্বারা ইহা যথার্থরূপে দেখিবার ফলে সৌমনস্য উৎপন্ন হয়, এইরূপ সৌমনস্যকে নৈষ্ক্রম্যোচিত সৌমনস্য বলা হয়। শব্দ, গন্ধ, রস, স্পর্শ ও ধর্ম সম্পর্কেও এইরূপ।
ছয় গৃহীজনোচিত দৌর্মনস্য কী?
চক্ষুবিজ্ঞেয় রূপ যাহা ইষ্ট, কান্ত, মনোজ্ঞ, মনোহর ও লোকামিষ-প্রতিসংযুক্ত তাহার অপ্রতিলাভ বা প্রতিলাভ না করিবার বা দেখিবার ফলে বা পূর্বে অপ্রতিলব্ধ অতীত, নিরুদ্ধ ও বিপরিণতকে অনুস্মরণ করিবার ফলে দৌর্মনস্য উৎপন্ন হয়। এইরূপ দৌর্মনস্যকে বলা হয় গৃহীজনোচিত দৌর্মনস্য। শ্রোত্র, ঘ্রাণ, জিহ্বা, কায়, মন সম্পর্কেও এইরূপ।
ছয় নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত দৌর্মনস্য কী কী?
রূপের অনিত্যতা… যথার্থরূপে দেখিয়া অনুত্তর বিমুক্তি লাভে স্পৃহা উপস্থাপিত করে, “আর্যগণ বর্তমানে যে আয়তন লাভ করিয়া অবস্থান করিতেছেন আমি কখন সেই আয়তন লাভ করিয়া অবস্থান করিব” এইভাবে অনুত্তর বিমুক্তিতে স্পৃহা উপস্থাপনের কারণে স্পৃহাহেতু দৌর্মনস্য উৎপন্ন হয়। এইরূপ দৌর্মনস্যকে নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত দৌর্মনস্য বলা হয়। শব্দ, গন্ধ, রস, স্পর্শ ও ধর্ম সম্পর্কেও এইরূপ। এই ছয়টি নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত দৌর্মনস্য।
ছয় গৃহীজনোচিত উপেক্ষা কী কী?
বাল, মুঢ়, পৃথগ্জন, ক্লেশবিজয়ী নহে, বিপাকবিজয়ী নহে (অক্ষীণসব) আদীনবদর্শী নহে, অশ্রুতবান ব্যক্তির চক্ষু দ্বারা রূপ দর্শন করিয়া যে উপেক্ষা উৎপন্ন তাহা রূপকে অতিক্রম করিয়া যায় না বলিয়া সেই উপেক্ষাকে গৃহীজনোচিত উপেক্ষা বলা হয়। শব্দ, গন্ধ, রস, স্পর্শ ও ধর্ম সম্পর্কেও এইরূপ। এইগুলিই ছয় গৃহীজনোচিত উপেক্ষা।
ছয় নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত উপেক্ষা কী কী?
রূপের অনিত্যতা… যথার্থরূপে দর্শন করিয়া যে উপেক্ষা হয় তাহা রূপকে অতিক্রম করিয়া যায় না বলিয়া ইহাকে নৈষ্ক্রম্যোচিত উপেক্ষা বলা হয়। শব্দ… ধর্ম সম্পর্কেও এইরূপ।
‘ছত্রিশ সত্ত্বপদ সংবেদ্য’ বলিয়া যাহা বিবৃত হইয়াছে তাহা এই সম্পর্কেই বিবৃত হইয়াছে।
যখন ইহা বিবৃত হয়, “ইহা অবলম্বন করিয়া ইহা পরিত্যাগ করো।” কী সম্পর্কে ইহা বিবৃত হইয়াছে? ভিক্ষুগণ, ছয় নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত সৌমনস্য অবলম্বন করিয়া তাহাদের মাধ্যমে ছয় গৃহীজনোচিত দৌর্মনস্য পরিত্যাগ করো, অতিক্রম করো, এইরূপে ইহাদের পরিত্যাগ ও সমতিক্রম করা হয়। ভিক্ষুগণ, ছয় নৈষ্ক্রম্যোচিত দৌর্মনস্য অবলম্বন করিয়া তাহাদের মাধ্যমে ছয় গৃহীজনোচিত দৌর্মনস্য পরিত্যাগ করো, সমতিক্রম করো, এইরূপে ইহাদের গ্রহণ ও সমতিক্রম হয়।
ভিক্ষুগণ, ছয় নৈষ্ক্রম্য নিশ্রিত উপেক্ষা অবলম্বন করিয়া তাহাদের মাধ্যমে ছয় গৃহীজনোচিত উপেক্ষাকে পরিত্যাগ করো, অতিক্রম করো। এইরূপে… সমতিক্রম হয়। ভিক্ষুগণ, ছয় নৈষ্ক্রম্যোচিত সৌমনস্য অবলম্বন করিয়া তাহাদের মাধ্যমে ছয় নৈষ্ক্রম্য-নিশ্রিত দৌর্মনস্যকে… সমতিক্রম হয়। ভিক্ষুগণ, ছয় নৈষ্ক্রম্য-নিশ্রিত উপেক্ষা অবলম্বন করিয়া ছয় নৈষ্ক্রম্য-নিশ্রিত সৌমনস্যকে… সমতিক্রম হয়।
ভিক্ষুগণ, উপেক্ষা নানা প্রকার ও নানা আলম্বন নিশ্রিত হয়, উপেক্ষা এক প্রকার ও এক আলম্বন নিশ্রিত হয়।
নানা প্রকার ও নানা আলম্বন নিশ্রিত উপেক্ষা কী কী? ভিক্ষুগণ, উপেক্ষা রূপে আছে, শব্দে আছে, গন্ধে, রসে, স্পর্শে আছে। ভিক্ষুগণ, এইরূপে উপেক্ষা নানা প্রকার ও নানা আলম্বন-নিশ্রিত। ভিক্ষুগণ, উপেক্ষা এক প্রকার ও এক আলম্বন-নিশ্রিত কী?
ভিক্ষুগণ, উপেক্ষা আকাশ-অনন্ত-আয়তন-নিশ্রিত, বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তননিশ্রিত, আকিঞ্চন-আয়তন-নিশ্রিত, নৈবসংজ্ঞা-না-অসংজ্ঞায়তন-নিশ্রিত। ভিক্ষুগণ, এইরূপে উপেক্ষা এক প্রকার ও এক আলম্বন নিশ্রিত।
ভিক্ষুগণ, যে উপেক্ষা এক প্রকার ও আলম্বননিশ্রিত তাহা অবলম্বন করিয়া তাহার মাধ্যমে নানা প্রকার ও নানা আলম্বননিশ্রিত উপেক্ষা পরিত্যাগ করো ও অতিক্রম করো, এইরূপে… সমতিক্রম হয়।
ভিক্ষুগণ, অতন্ময়তা অবলম্বন করিয়া তাহার মাধ্যমে যে উপেক্ষা এক বিশিষ্ট ও এক আলম্বননিশ্রিত তাহা পরিত্যাগ করো,… সমতিক্রম হয়। এই সম্পর্কে বিবৃত হইয়াছে : “ইহাকে অবলম্বন করিয়া ইহা পরিত্যাগ হয়।”
ইহা বিবৃত হইয়াছে : “আর্য তিন স্মৃতিপ্রস্থান পালন করেন যাহা পালন করিয়া শাস্তা জনগণকে অনুশাসন দিতে সক্ষম হন।” কি সম্পর্কে ইহা বিবৃত হইয়াছে? ভিক্ষুগণ, অনুকম্পাপরায়ণ হিতৈষী শাস্তা অনুকম্পা-সহকারে শিষ্যদিগকে ধর্মদেশনা করেন, “ইহা তোমাদের হিতের জন্য, ইহা তোমাদের সুখের জন্য।” তাঁহার শিষ্যগণ শ্রবণ করেন না, শ্রোত্রাবধান করেন না, জ্ঞানের জন্য চিত্ত উপস্থাপিত করেন না, বিপথে চালিত হইয়া শাস্তার ধর্ম হইতে দূরে চলিয়া যান। ইহাতে তথাগত সন্তুষ্ট হন না, অসন্তুষ্টি অনুভব করেন না, কিন্তু অনবশ্রুত, স্মৃতিমান ও সম্প্রজ্ঞাত হইয়া অবস্থান করেন। ভিক্ষুগণ, ইহা প্রথম স্মৃতিপ্রস্থান… সক্ষম হন।
পুনশ্চ ভিক্ষুগণ, শাস্তা অনুকম্পাপরায়ণ… সুখের জন্য। কতিপয় শিষ্য তাহা শ্রবণ করেন না… চলিয়া যান। কতিপয় শিষ্য শ্রবণ করেন, চলিয়া যান না। ইহাতে তথাগত… সক্ষম হন। ইহা দ্বিতীয় স্মৃতিপ্রস্থান।
পুনশ্চ, ভিক্ষুগণ, শাস্তা… সুখের জন্য। তাঁহার শিষ্যগণ শ্রবণ করেন।… তখন তথাগত সন্তুষ্ট হন… সম্প্রজ্ঞাত হইয়া অবস্থান করেন। ইহা তৃতীয় স্মৃতিপ্রস্থান যাহা… সক্ষম হন।
ইহা বিবৃত হইয়াছে : তাঁহাকে দক্ষ রথাচার্যদের মধ্যে অনুত্তর দম্যপুরুষ-সারথি বলা যায়। কী সম্পর্কে ইহা বিবৃত হইয়াছে? ভিক্ষুগণ, হস্তীদমকের দ্বারা তাড়িত হইয়া দমনীয় হস্তী একদিকে ধাবিত হয়-পূর্বদিকে অথবা পশ্চিমদিকে বা উত্তরদিকে বা দক্ষিণ দিকে। অশ্বদমক দ্বারা… গোদমক… দক্ষিণ দিকে। ভিক্ষুগণ, অর্হৎ সম্যকসম্বুদ্ধ তথাগতের দ্বারা দমনীয় পুরুষ পরিচালিত হইয়া আট দিকে ধাবিত হন। রূপী রূপ দর্শন করেন ইহা প্রথম দিক। অধ্যাত্মভাবে অরূপ-সংজ্ঞী বহির্রূপ দর্শন করেন, ইহা দ্বিতীয় দিক। ‘শুভ’ বলিয়া অধিমুক্ত হয়, ইহা তৃতীয় দিক। সর্বতোভাবে রূপ-সংজ্ঞা অতিক্রম করিয়া, প্রতিঘ-সংজ্ঞা অস্তমিত করিয়া, নানাত্ব-সংজ্ঞা মনস্কার করেন না। ‘অনন্ত-আকাশ’ ভাবিয়া আকাশ-অনন্ত-আয়তন (সমাপত্তি) লাভ করিয়া তিনি অবস্থান করেন, ইহা চতুর্থ দিক। সর্বতোভাবে আকাশ-অনন্ত-আয়তন-অতিক্রমকারী “অনন্তবিজ্ঞান” ভাবিয়া বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন (সমাপত্তি) লাভ করিয়া তাহাতে অবস্থান করেন, ইহা পঞ্চম দিক। সর্বতোভাবে বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন অতিক্রম করিয়া আকিঞ্চন-আয়তন অতিক্রম করিয়া আকিঞ্চন-আয়তন লাভ করিয়া তাহাতে অবস্থান করেন, ইহা ষষ্ঠ দিক। সর্বতোভাবে আকিঞ্চন-আয়তন অতিক্রম করিয়া নৈবসংজ্ঞা-না-অসংজ্ঞায়তন লাভ করিয়া তাহাতে অবস্থান করেন, ইহা সপ্তম দিক। সর্বতোভাবে নৈবসংজ্ঞা-না-অসংজ্ঞায়তন অতিক্রম করিয়া সংজ্ঞাবেদয়িত নিরোধ (সমাপত্তি) লাভ করিয়া তাহাতে অবস্থান করেন, ইহা অষ্টম দিক। অর্হৎ, সম্যকসম্বুদ্ধ… এই আট দিকে ধাবিত হন। তাহাতেই “রথাচার্যদের মধ্যে অনুত্তর পুরুষদম্য সারথি” বলিয়া বিবৃত হইয়াছে।
ভগবান ইহা বিবৃত করিলেন। ভিক্ষুগণ সন্তুষ্ট মনে ভগবানের ভাষণকে অভিনন্দিত করিলেন।
ষড়ায়তনবিভঙ্গ সূত্র সমাপ্ত।
ব্যাখ্যা [৩]
English
Việt Ngữ