লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

কলহ সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি… সে-সময়ে দুজন ভিক্ষুর মাঝে কলহ বেঁধেছিল। তন্মধ্যে একজন ভিক্ষু কথার সীমা অতিক্রম করল। তিনি (অপর ভিক্ষু) সেই ভিক্ষুর কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করলেন; কিন্তু সেই ভিক্ষু তা প্রতিগ্রহণ করলেন না (বা ক্ষমা করলেন না)। তখন বহুসংখ্যক ভিক্ষু ভগবানের কাছে গেলেন। গিয়ে ভগবানকে অভিবাদনপূর্বক একপাশে বসলেন। একপাশে উপবিষ্ট সেই ভিক্ষুগণ ভগবানকে এরূপ বললেন, ‘ভন্তে এখানে দুজন ভিক্ষুর মাঝে কলহ বেঁধেছিল। তন্মধ্যে একজন ভিক্ষু কথার সীমা অতিক্রম করল। তিনি (অপর ভিক্ষু) সেই ভিক্ষুর কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করলেন; কিন্তু সেই ভিক্ষু তা প্রতিগ্রহণ করলেন না।’

‘হে ভিক্ষুগণ, এই দুই প্রকার ব্যক্তি মূর্খ, যে অপরাধকে অপরাধ বলে দেখে না এবং যে অপরাধ স্বীকারকারীর অপরাধ যথাধর্ম প্রতিগ্রহণ করে না (বা ক্ষমা করে না)। এই দুজন ব্যক্তি মূর্খ।’ ‘ভিক্ষুগণ, এই দুজন ব্যক্তি পণ্ডিত-যে অপরাধকে অপরাধ বলে দেখে এবং যে অপরাধ স্বীকারকারীর অপরাধ যথাধর্ম প্রতিগ্রহণ করে (বা ক্ষমা করে)। এই দুজন ব্যক্তি পণ্ডিত।’

ভিক্ষুগণ, অতীতে দেবেন্দ্র শক্র সুধর্মা দেবসভায় তাবতিংসবাসী দেবগণকে অনুনয় করে এই গাথাটি বলেছিল :

‘ক্রোধ আপনাদের বশে চলে আসুক, আপনাদের মিত্রতায় জরা আঘাত না হানুক। অনিন্দনীয় ব্যক্তিকে নিন্দা করবেন না এবং পিশুন বাক্য বলবেন না। ক্রোধ পাপীজনকে পর্বতের ন্যায় মর্দন করে।’

ব্যাখ্যা [১]