লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [২০]

ধর্মকথিক সূত্র

একসময় ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন। তখন জনৈক ভিক্ষু ভগবানের নিকট উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদনপূর্বক একান্তে উপবেশন করলেন। একান্তে উপবিষ্ট সেই ভিক্ষুটি ভগবানকে বললেন, “ভন্তে, ‘ধর্মকথিক, ধর্মকথিক’ বলা হয়, কিভাবে ধর্মকথিক হয়?”

“হে ভিক্ষু, জরা-মৃত্যু নির্বেদের জন্য, বিরাগের জন্য ও নিরোধের জন্য যে ভিক্ষু ধর্মদেশনা করে, তাকে ‘ধর্মকথিক ভিক্ষু’ বলে বলা উচিত। ভিক্ষুটি জরা-মৃত্যুর নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধের জন্য প্রতিপন্ন হলে তাকে ‘ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন ভিক্ষু’ বলে বলা উচিত। সে যদি জরা-মৃত্যুর নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধ হতে অনুপাদাবিমুক্ত হয়, তবে তাকে ‘দৃষ্টধর্মে নির্বাণপ্রাপ্ত ভিক্ষু’ বলে বলা উচিত।

ভিক্ষু, জন্মের… ভবের… উপাদানের… তৃষ্ণার… বেদনার… স্পর্শের… ষড়ায়তনের… নামরূপের… বিজ্ঞানের… সংস্কারের… অবিদ্যার নির্বেদের জন্য, বিরাগের জন্য ও নিরোধের জন্য যে ভিক্ষু ধর্মদেশনা করে, তাকে ‘ধর্মকথিক ভিক্ষু’ বলে বলা উচিত। ভিক্ষুটি অবিদ্যার নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধের জন্য প্রতিপন্ন হলে তাকে ‘ধর্মানুধর্মে প্রতিপন্ন ভিক্ষু’ বলে বলা উচিত। সে যদি অবিদ্যার নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধ হতে অনুপাদাবিমুক্ত হয়, তবে তাকে ‘দৃষ্টধর্মে নির্বাণপ্রাপ্ত ভিক্ষু’ বলে বলা উচিত। ষষ্ঠ সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]