লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৯]

উপবান সূত্র

একসময় ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন। অনন্তর আয়ুষ্মান উপবান ভগবানের কাছে উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিকাদনপূর্বক একান্তে উপবেশন করলেন। একান্তে উপবিষ্ট আয়ুষ্মান উপবান ভগবানকে এরূপ বললেন :

“ভন্তে, কোনো কোনো শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘স্বয়ংকৃত’ বলেন। কোনো কোনো শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘পরকৃত’ বলেন। কোনো কোনো শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘স্বয়ংকৃত ও পরকৃত’ বলেন। কোনো কোনো শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘অস্বয়ংকৃত, অ-পরকৃত ও বিনা কারণে উৎপন্ন’ বলেন। ভন্তে, এক্ষেত্রে ভগবান কোন বাদী? কোন ভাষী? কিভাবে বললে আমরা ভগবানের কথিত বিষয়বাদী হবো, আপনাকে অভূত বিষয় দ্বারা অপবাদ দিব না, ধর্মানুধর্ম ব্যাখ্যা করব, কোনো সহধার্মিক বাদানুবাদ ঘৃণার কারণ হবে না?”

“হে উপবান, দুঃখকে আমি প্রতীত্যসমুৎপন্ন বলেছি। কিসের কারণে? স্পর্শের কারণে। এরূপ বললে আমার কথিত বিষয়বাদী হয়, আমাকে অভূত বিষয় দ্বারা অপবাদ দেয়া হয় না, ধর্মানুধর্ম ব্যাখ্যা করা হয়, কোনো সহধার্মিক বাদানুবাদও অবজ্ঞার কারণ হয় না।

উপবান, যেসব শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘স্বয়ংকৃত’ বলে, তা স্পর্শের কারণে।… যেসব শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘অস্বয়ংকৃত, অ-পরকৃত ও বিনা কারণে উৎপন্ন’ বলে, তাও স্পর্শের কারণে।

উপবান, যেসব শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘স্বয়ংকৃত’ বলে, তারা স্পর্শ ছাড়া অন্যকিছু অনুভব করবে, তা অসম্ভব।… যেসব শ্রমণ-ব্রাহ্মণ দুঃখকে ‘অস্বয়ংকৃত, অ-পরকৃত ও বিনা কারণে উৎপন্ন’ বলে, তারা স্পর্শ ছাড়া অন্যকিছু অনুভব করবে, তা অসম্ভব।” ষষ্ঠ সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]