লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৯]

জ্ঞাতিক সূত্র

আমি এরূপ শুনেছি। একসময় ভগবান জ্ঞাতিকে অবস্থান করছিলেন গিঞ্জকাবসথে। অতঃপর ভগবান নির্জনতা হতে উঠে এই ধর্মপর্যায় ভাষণ করলেন :

‘চক্ষু ও রূপের প্রত্যয়ে চক্ষুবিজ্ঞান উৎপন্ন হয়। এই তিনটির সঙ্গতি বা মিলনেই স্পর্শ হয়। স্পর্শের প্রত্যয়ে বেদনা, বেদনার প্রত্যয়ে তৃষ্ণা, তৃষ্ণার প্রত্যয়ে উপাদান… এভাবে সমস্ত দুঃখস্কন্ধের সমুদয় হয়।

শ্রোত্র ও শব্দের প্রত্যয়ে… ঘ্রাণ ও গন্ধ প্রত্যয়ে… জিহ্বা ও রসের প্রত্যয়ে… কায় ও স্প্রষ্টব্যের প্রত্যয়ে… মন ও ধর্মের প্রত্যয়ে মনোবিজ্ঞান উৎপন্ন হয়। এই তিনটির সঙ্গতি বা মিলনেই স্পর্শ হয়। স্পর্শের প্রত্যয়ে বেদনা, বেদনার প্রত্যয়ে তৃষ্ণা, তৃষ্ণার প্রত্যয়ে উপাদান… এভাবে সমস্ত দুঃখস্কন্ধের সমুদয় হয়।

চক্ষু ও রূপের প্রত্যয়ে চক্ষুবিজ্ঞান উৎপন্ন হয়। এই তিনটির সঙ্গতি বা মিলনেই স্পর্শ হয়। স্পর্শের প্রত্যয়ে বেদনা, বেদনার প্রত্যয়ে তৃষ্ণা। সেই তৃষ্ণার সম্পূর্ণরূপে বিরাগ-নিরোধ হলে উপাদান নিরোধ হয়, উপাদান নিরোধ হলে ভব নিরোধ হয়… এভাবে সমস্ত দুঃখস্কন্ধের নিরোধ হয়।

শ্রোত্র ও শব্দের প্রত্যয়ে… মন ও ধর্মের প্রত্যয়ে মনোবিজ্ঞান উৎপন্ন হয়। এই তিনটির সঙ্গতি বা মিলনেই স্পর্শ হয়। স্পর্শের প্রত্যয়ে বেদনা, বেদনার প্রত্যয়ে তৃষ্ণা। সেই তৃষ্ণার সম্পূর্ণরূপে বিরাগ-নিরোধ হলে উপাদান নিরোধ হয়, উপাদান নিরোধ হলে ভব নিরোধ হয়… এভাবে সমস্ত দুঃখস্কন্ধের নিরোধ হয়।’

সেই সময়ে জনৈক ভিক্ষু ভগবানের দেশনার শ্রবণসীমার মধ্যে দাঁড়িয়েছিলেন। ভগবান সেই ভিক্ষুকে তাঁর দেশনার শ্রবণসীমার মধ্যে স্থিত দেখে বললেন, ‘হে ভিক্ষু, তুমি এই ধর্মপর্যায় শ্রবণ করেছ কি?’ ‘হ্যাঁ ভন্তে।’ ‘ভিক্ষু, তুমি এই ধর্মপর্যায় শিক্ষা কর, আয়ত্ত কর, ধারণ কর। এই ধর্মপর্যায় অর্থপূর্ণ ও আদিব্রহ্মচারী।’ পঞ্চম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]