লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

অচরিং সূত্র

ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন… ‘হে ভিক্ষুগণ, আমি পৃথিবীধাতুর আস্বাদ অন্বেষণ করেছি, পৃথিবীধাতুর যে আস্বাদ তা উপলব্ধি করেছি, পৃথিবীধাতুর যতখানি আস্বাদ তা আমার প্রজ্ঞা দ্বারা সুদৃষ্ট হয়েছে। আমি পৃথিবীধাতুর আদীনব অন্বেষণ করেছি, পৃথিবীধাতুর যে আদীনব তা উপলব্ধি করেছি, পৃথিবীধাতুর যতখানি আদীনব তা আমার প্রজ্ঞা দ্বারা সুদৃষ্ট হয়েছে। আমি পৃথিবীধাতুর নিঃসরণ অন্বেষণ করেছি, পৃথিবীধাতুর যে নিঃসরণ তা উপলব্ধি করেছি, পৃথিবীধাতুর যতখানি নিঃসরণ তা আমার প্রজ্ঞা দ্বারা সুদৃষ্ট হয়েছে।’

‘ভিক্ষুগণ, আমি আপধাতুর… আমি তেজধাতুর… আমি বায়ুধাতুর আস্বাদ অন্বেষণ করেছি, বায়ুধাতুর যে আস্বাদ তা উপলব্ধি করেছি, বায়ুধাতুর যতখানি আস্বাদ তা আমার প্রজ্ঞা দ্বারা সুদৃষ্ট হয়েছে। আমি বায়ুধাতুর আদীনব অন্বেষণ করেছি, বায়ুধাতুর যে আদীনব তা উপলব্ধি করেছি, বায়ুধাতুর যতখানি আদীনব তা আমার প্রজ্ঞা দ্বারা সুদৃষ্ট হয়েছে। আমি বায়ুধাতুর নিঃসরণ অন্বেষণ করেছি, বায়ুধাতুর যে নিঃসরণ তা উপলব্ধি করেছি, বায়ুধাতুর যতখানি নিঃসরণ তা আমার প্রজ্ঞা দ্বারা সুদৃষ্ট হয়েছে।’

‘ভিক্ষুগণ, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি এই চার ধাতুর আস্বাদকে আস্বাদরূপে, আদীনবকে আদীনবরূপে ও নিঃসরণকে নিঃসরণরূপে যথাভূতভাবে জানতে সক্ষম হইনি, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি সদেবলোকে, সমারলোকে, সব্রহ্মলোকে, সশ্রমণ-ব্রাহ্মণকুলে ও সদেব-মনুষ্যলোকের মধ্যে অনুত্তর সম্যক সম্বোধি ও অভিসম্বুদ্ধত্ব লাভ করতে সক্ষম হইনি।’

“ভিক্ষুগণ, যখন আমি এই চার ধাতুর আস্বাদকে আস্বাদরূপে, আদীনবকে আদীনবরূপে ও নিঃসরণকে নিঃসরণরূপে যথাভূতভাবে জানতে সক্ষম হয়েছি, তখন আমি সদেবলোকে, সমারলোকে, সব্রহ্মলোকে, সশ্রমণ-ব্রাহ্মণকুলে ও সদেব-মনুষ্যলোকের মধ্যে অনুত্তর সম্যক সম্বোধি ও অভিসম্বুদ্ধত্ব লাভ করতে সক্ষম হয়েছি। তখন আমার জ্ঞানদর্শন উৎপন্ন হয়েছিল, ‘আমার বিমুক্তি অকম্পিত, এটিই আমার অন্তিম জন্ম, আমার আর পুনর্জন্ম হবে না।’” তৃতীয় সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]