লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

ভিক্ষু সূত্র

ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন… ‘হে ভিক্ষুগণ, যে ভিক্ষু অর্হৎ হয়েছে, তাঁর পক্ষেও লাভ-সৎকার ও যশ-খ্যাতি অন্তরায়ের কারণ বলছি।’ ভগবান এরূপ বললে আয়ুষ্মান আনন্দ ভগবানকে এরূপ বললেন, ‘ভন্তে, ক্ষীণাসব ভিক্ষুর লাভ-সৎকার ও যশ-খ্যাতি কিসের জন্য অন্তরায়কর?’ ‘হে আনন্দ, তাঁর যে অক্ষয় চিত্তবিমুক্তি; আমি সেই চিত্তবিমুক্তিতে লাভ-সৎকার ও যশ-খ্যাতি অন্তরায়কর বলছি না। কিন্তু অপ্রমত্ত, বীর্র্যবান, উদ্যমী হয়ে অবস্থানকারী (ক্ষীণাসব অর্হতের) দৃষ্টধর্মে (ইহজীবনে) সুখে অবস্থান করার (ফল-সমাপত্তির সুখবিহার)পক্ষে অধিগত লাভ-সৎকার ও যশ-খ্যাতি অন্তরায়কর হয় বলছি। আনন্দ, এরূপেই লাভ-সৎকার ও যশ-খ্যাতি (লাভ) অনুত্তর যোগক্ষেম নির্বাণ প্রাপ্তি বা অধিগতের পথে ভয়ানক, কটু, রুক্ষ (অসমান পথ) ও অন্তরায়কর। আনন্দ, তাই এরূপ শিক্ষা করা কর্তব্য, ‘উৎপন্ন লাভ-সৎকার ও যশ-খ্যাতি, পরিত্যাগ করবো। এই লাভ-সৎকারাদি নিশ্চয়ই আমাদের চিত্ত অভিভূত করে থাকবে না।’ ভিক্ষুগণ, তোমাদের এরূপ শিক্ষা করা উচিত।’ দশম সূত্র।

তৃতীয় বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

নারী, কল্যাণী, একপুত্র ও এককন্যা সূত্র,
শ্রমণ-ব্র্র্রাহ্মণ তিন, ত্বক, রজ্জু, ভিক্ষু উক্ত।

ব্যাখ্যা [১]