লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

স্কন্ধ সূত্র

ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন… ‘হে রাহুল, তা তুমি কী মনে কর, রূপ নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’ ‘যা অনিত্য তা সুখ না দুঃখ?’ ‘ভন্তে, দুঃখ।’ ‘যা অনিত্য, দুঃখ ও পরিবর্তনধর্মী, তা এটি আমার, এটি আমি এবং এটি আমার আত্মা বলে দেখা উচিত কি?’ ‘না ভন্তে।’ ‘বেদনা নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’… ‘সংজ্ঞা নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’… ‘সংস্কার নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’… ‘বিজ্ঞান নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’ ‘যা অনিত্য তা সুখ না দুঃখ?’ ‘ভন্তে, দুঃখ।’ ‘যা অনিত্য, দুঃখ ও পরিবর্তনধর্মী, তা এটি আমার, এটি আমি এবং এটি আমার আত্মা বলে দেখা উচিত কি?’ ‘না ভন্তে।’

‘হে রাহুল, এরূপে দেখে শ্রুতবান আর্যশ্রাবক রূপের প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়, বেদনার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়… সংজ্ঞার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়… বিজ্ঞানের প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়, নির্বেদযুক্ত হয়ে নিঃস্পৃহ হয়, বিরাগে বিমুক্ত হয়, বিমুক্তিতে ‘বিমুক্ত হয়েছি’ বলে জ্ঞান উদয় হয়। ‘জন্ম ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্য পরিপূর্ণ হয়েছে, করণীয় কৃত হয়েছে, এ জন্মের পর আর কোনো পুনর্জন্ম নেই’ বলে যথাযথভাবে জানে।’ দশম সূত্র।

প্রথম বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

চক্ষু, রূপ, বিজ্ঞান, সংস্পর্শ আর বেদনা,
সংজ্ঞা, সঞ্চেতনা, তৃষ্ণা, ধাতু ও স্কন্ধে দশ।

ব্যাখ্যা [০]