লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

অপগত সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি। অনন্তর আয়ুষ্মান রাহুল ভগবানের কাছে উপস্থিত হলেন। উপস্থিত হয়ে ভগবানকে শ্রদ্ধাভিবাদন জানিয়ে একান্তে বসলেন। একান্তে উপবিষ্ট অবস্থায় আয়ুষ্মান রাহুল ভগবানকে এরূপ বললেন, ‘ভন্তে, কিভাবে জানলে ও কিভাবে দেখলে এই বিজ্ঞানযুক্ত কায়ে এবং বাইরের সব বিষয়ে অহংকার, মমকার শূন্য এবং বিভিন্ন মানাতিক্রান্ত, শান্ত ও সুবিমুক্ত হয়?’

‘হে রাহুল, অতীত, অনাগত, বর্তমান, অধ্যাত্ব বা বাহ্যিক, স্থূল বা সূক্ষ্ম, হীন বা উৎকৃষ্ট, দূরবর্তী বা নিকটবর্তী সমস্ত রূপ ‘এটি আমার নয়, এতে আমি অবস্থিতনই এবং এটি আমার আত্মা নয়’ এরূপে সম্যকভাবে প্রজ্ঞা দিয়ে দর্শন করে সাংসারে পুনর্জন্ম গ্রহণের প্রতি অনাসক্ত হয়ে বিমুক্ত (অনুপাদা বিমুক্ত) হয়।’

‘রাহুল, … সমস্ত বেদনা… সমস্ত সংজ্ঞা… সমস্ত সংস্কার… অতীত, অনাগত, বর্তমান, অধ্যাত্ব বা বাহ্যিক, স্থূল বা সূক্ষ্ম, হীন বা উৎকৃষ্ট, দূরবর্তী বা নিকটবর্তী সমস্ত রূপ ‘এটি আমার নয়, এতে আমি অবস্থিতনই এবং এটি আমার আত্মা নয়’ এরূপে সম্যকভাবে প্রজ্ঞা দিয়ে দর্শন করে সাংসারে পুনর্জন্ম গ্রহণের প্রতি অনাসক্ত হয়ে বিমুক্ত হয়। রাহুল, এরূপে জানলে ও দেখলে এই বিজ্ঞানযুক্ত কায়ে এবং বাইরের সব বিষয়ে অহংকার, মমকার শূন্য এবং বিভিন্ন মানাতিক্রান্ত, শান্ত ও সুবিমুক্ত হয়।’ দ্বাদশ সূত্র।

দ্বিতীয় বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

চক্ষু, রূপ, বিজ্ঞান, স্পর্শ আর বেদনা,
সংজ্ঞা, সঞ্চেতনা, তৃষ্ণা, ধাতু, স্কন্ধে দশ,
অনুশয়, অপগত, তদ্বারা বর্গ বলা হয়।

রাহুল-সংযুক্ত সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [১]