লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

সঞ্চেতনা সূত্র

ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন… ‘হে রাহুল, তা তুমি কী মনে কর, রূপা-সঞ্চেতনা (সংবেদজ উপলব্ধি)’ নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’ ‘যা অনিত্য তা সুখ না দুঃখ?’ ‘ভন্তে, দুঃখ।’ ‘যা অনিত্য, দুঃখ ও পরিবর্তনধর্মী, তা এটি আমার, এটি আমি এবং এটি আমার আত্মা বলে দেখা উচিত কি?’ ‘না ভন্তে।’ ‘শব্দ-সঞ্চেতনা নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’… ‘গন্ধ-সঞ্চেতনা নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’… ‘রস-সঞ্চেতনা নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’… ‘স্পর্শ-সঞ্চেতনা নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’… ‘ধর্ম-সঞ্চেতনা নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘ভন্তে, অনিত্য।’ ‘যা অনিত্য তা সুখ না দুঃখ?’ ‘ভন্তে, দুঃখ।’ ‘যা অনিত্য, দুঃখ ও পরিবর্তনধর্মী, তা এটি আমার, এটি আমি এবং এটি আমার আত্মা বলে দেখা উচিত কি?’ ‘না ভন্তে।’

‘হে রাহুল, এরূপে দেখে শ্রুতবান আর্যশ্রাবক রূপা-সঞ্চেতনার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়, শব্দ-সঞ্চেতনার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়… গন্ধ-সঞ্চেতনার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়… রস-সঞ্চেতনার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়… স্পর্র্শ-সঞ্চেতনার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়… ধর্ম-সঞ্চেতনার প্রতি নির্বেদযুক্ত হয়, নির্বেদযুক্ত হয়ে নিঃস্পৃহ হয়, বিরাগে বিমুক্ত হয়, বিমুক্তিতে ‘বিমুক্ত হয়েছি’ বলে জ্ঞান উদয় হয়। ‘জন্ম ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্য পরিপূর্ণ হয়েছে, করণীয় কৃত হয়েছে, এ জন্মের পর আর কোনো পুনর্জন্ম নেই’ বলে যথাযথভাবে জানে।’ সপ্তম সূত্র।

ব্যাখ্যা [০]