লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

কুম্ভাণ্ড সূত্র

মহামৌদগল্লায়ন ‘বন্ধু, গৃধ্রকূট পর্বত নামার সময় আমি এক কুম্ভাণ্ডকে আকাশপথে উড়ে যেতে দেখেছি। সে (হেঁটে) গমনকালে অণ্ডকোষ স্কন্ধে তুলে গমন করে, উপবেশনকালে অণ্ডকোষের ওপর উপবেশন করে। শকুন, কাক, চিল পিছু নিয়ে নিয়ে সেই দেহপঞ্জরের এখানে-সেখানে (তীক্ষ্ণ চঞ্চু দিয়ে) বিদ্ধ করছে। তাতে আর্তনাদ করছে দেহপঞ্জরটি… এই সত্ত্বটি পূর্বজন্মে এই রাজগৃহেই গ্রামকূট ছিল…।’ দশম সূত্র।

প্রথম বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

অস্থি ও পেশী উভয়ই গো ঘাতক, পিণ্ড শকুনিক ও চর্মহীন,
অসি সুকরিক, শল্য হরিণ শিকারী, শর জল্লাদ, সূচি সারথী;
দ্বিতীয় সূচি খল, অণ্ডকোষ বহনকারী ছিল গ্রামকূট।

ব্যাখ্যা [১]