লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

আমস্তক সূত্র

আমি এরূপ শুনেছি। একসময় ভগবান রাজগৃহের বেণুবনে অবস্থান করছিলেন। তখন আয়ুষ্মান লক্ষণ ও আয়ুষ্মান মহামৌদগল্লায়ন গৃধ্রকুট পর্বতে বাস করছিলেন। একদিন মহামৌদগল্লায়ন আয়ুষ্মান লক্ষণকে বললেন, ‘বন্ধু, গিজ্ঝাকূট পর্বত নামার সময় আমি আমস্তক বিষ্ঠাকূপে নিমগ্ন এক পুরুষকে দেখেছি। তখন আমার মনে হলো, আশ্চর্য! অদ্ভুত! এমন প্রাণীও আছে, এমন যক্ষও আছে। এ রকম দেহ লাভও সম্ভব!’

তখন ভগবান ভিক্ষুদের সম্বোধন করে বললেন, ‘হে ভিক্ষুগণ, শ্রাবকগণ চক্ষুভূত (যথার্থ জ্ঞানের অধিকারী) হয়ে অবস্থান করছে, জ্ঞানভূত (অর্হত্ত্ব জ্ঞানের অধিকারী) হয়ে অবস্থান করছে। যে জ্ঞানে তারা এরূপ জ্ঞাত হয় বা দেখে অথবা প্রত্যক্ষ করে। ভিক্ষুগণ, আমিও ইতিপূর্বেই সে প্রাণীকে দেখেছি, কিন্তু প্রকাশ করিনি। কারণ আমি সেটা বললে যদি লোকে তা অবিশ্বাস করে, এতে তাদের দীর্ঘকাল অহিত ও দুঃখপ্রদ হবে। এই সত্ত্বটি পূর্বজন্মে এই রাজগৃহেই পরদার লঙ্ঘনকারী (ব্যভিচারকারী) ছিল। সে (ব্যভিচারের পাপ) কর্মের ফলে বহু বছর, বহুশত বছর, বহু হাজার বছর, বহুশত হাজার বছর নরকে পক্ব হয়ে এখন এমন দেহধারণে দুঃখ ভোগ করছে।’ প্রথম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]