লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৫]

কাষ্ঠখণ্ড (কলিঙ্গর) সূত্র

আমি এরূপ শুনেছি। একসময় ভগবান বৈশালীর মহাবনে কূটগারশালায় অবস্থান করছিলেন। তখন ভগবান ভিক্ষুদেরকে ‘হে ভিক্ষুগণ’ বলে আহ্বান করলেন। সেই ভিক্ষুগণও ‘হ্যাঁ ভন্তে’ বলে ভগবানকে প্রত্যুত্তর প্রদান করলেন। ভগবান বললেন :

‘হে ভিক্ষুগণ, লিচ্ছবিগণ বর্তমানে কাষ্ঠখণ্ড বালিশ ও পাদুকারূপে এবং রুক্ষ শয্যাসন ব্যবহার করে কর্তব্য-কর্মে অনলস, অপ্রমত্ত ও পরাক্রমশালী হয়ে বাস করে। মগধরাজ বৈদেহী পুত্র অজাতশত্রু তাঁদের পরাস্ত করার কৌশল খুঁজে পাচ্ছে না, সুযোগ পাচ্ছে না। ভবিষ্যতে লিচ্ছবিগণ হবে সুকুমার, তাদের হস্তপদ হবে কোমল, তারা তুলোপকরণাদি কোমল শয্যায় সূর্যোদয় পর্যন্ত শয়ন করবে। সে-সময় মগধরাজ বৈদেহীপুত্র অজাতশত্রু তাদেরকে পরাজিত করার কৌশল, ছিদ্র খুঁজে পাবে।’

‘ভিক্ষুগণ, বর্তমানে ভিক্ষুরা কাষ্ঠখণ্ড বালিশ ও পাদুকারূপে ব্যবহার করে কর্তব্য-কর্মে অনলস, অপ্রমত্ত ও পরাক্রমশালী হয়ে বাস করে। ফলে পাপীমার তাদেরকে (পরাস্ত) করার অবকাশ ও সুযোগ পাচ্ছে না। কিন্তু ভবিষ্যতে ভিক্ষুরা হবে সুকুমার; তাদের হস্তপদ হবে কোমল। তারা তুলোপকরণাদির কোমল শয্যায় সূর্যোদয় পর্যন্ত শয়ন করবে। সে-সময় তাদেরকে পাপীমার পরাস্ত করার অবকাশ ও সুযোগ পাবে। ভিক্ষুগণ, তজ্জন্য তোমাদের এরূপ শিক্ষা করা কর্তব্য, ‘কাষ্ঠখণ্ড বালিশ ও পাদুকারূপে ব্যবহার করে অনলস, অপ্রমত্ত, ধ্যানরত হয়ে অবস্থান করবো।’ ভিক্ষুগণ, তোমাদের এরূপ শিক্ষা করা কর্তব্য।” অষ্টম সূত্র।

ব্যাখ্যা [১]