লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

দ্বিতীয় ধর্মকথিক সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

একপাশে আসীন হয়ে সেই ভিক্ষু ভগবানকে বললেন, “ভন্তে, ‘ধর্মকথিক ধর্মকথিক’ বলে বলা হয়। ভন্তে, কিভাবে ধর্মকথিক হয়? কিভাবে ধর্মানুধর্ম প্রতিপন্ন হয়? কিভাবে দৃষ্টধর্মে নির্বাণপ্রাপ্ত হয়?”

“হে ভিক্ষু, যদি রূপের নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধের জন্য ধর্মদেশনা করেন, তাহলে তিনি যথার্থ ‘ধর্মকথিক ভিক্ষু’ বলে কথিত হন। হে ভিক্ষু, যদি রূপের নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধের জন্য প্রতিপন্ন হন, তাহলে তিনি যথার্থ ‘ধর্মানুধর্ম প্রতিপন্ন ভিক্ষু’ বলে কথিত হন। হে ভিক্ষু, যদি রূপের নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধ, পুনর্বার জন্মগ্রহণের প্রতি সম্পূর্ণরূপে আসক্তিশূন্য হয়ে বিমুক্ত হন, তাহলে তিনি যথার্থ ‘দৃষ্টধর্মে নির্বাণপ্রাপ্ত ভিক্ষু’ বলে কথিত হন।

হে ভিক্ষু, যদি বেদনার…. হে ভিক্ষু, যদি সংজ্ঞার…. হে ভিক্ষু, যদি সংস্কারের…. হে ভিক্ষু, যদি বিজ্ঞানের নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধের জন্য ধর্মদেশনা করেন, তাহলে তিনি যথার্থ ‘ধর্মকথিক ভিক্ষু’ বলে কথিত হন। হে ভিক্ষু, যদি বিজ্ঞানের নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধের জন্য প্রতিপন্ন হন, তাহলে তিনি যথার্থ ‘ধর্মানুধর্ম প্রতিপন্ন ভিক্ষু’ বলে কথিত হন। হে ভিক্ষু, যদি বিজ্ঞানের নির্বেদ, বিরাগ ও নিরোধ, পুনর্বার জন্মগ্রহণের প্রতি সম্পূর্ণরূপে আসক্তি শূন্য হয়ে বিমুক্ত হন, তাহলে তিনি যথার্থ ‘দৃষ্টধর্মে নির্বাণপ্রাপ্ত ভিক্ষু’ বলে কথিত হন।” [চতুর্থ সূত্র]

ব্যাখ্যা [০]