লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

অনাত্মানুদর্শী সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

“হে ভিক্ষুগণ, শ্রদ্ধায় প্রব্রজিত কুলপুত্রের এই অনুধর্ম হয়―যে রূপের প্রতি অনাত্মানুদর্শী হয়ে বিহার করে। বেদনার প্রতি…. সংজ্ঞার প্রতি…. সংস্কারের প্রতি…. বিজ্ঞানের প্রতি অনাত্মানুদর্শী হয়ে বিহার করে। যে রূপের প্রতি অনাত্মানুদর্শী হয়ে বিহার করে সে রূপকে জানে, বেদনাকে…. সংজ্ঞাকে…. সংস্কারকে…. বিজ্ঞানকে জানে। সে রূপকে জেনে, বেদনাকে জেনে, সংজ্ঞাকে জেনে, সংস্কারকে জেনে, বিজ্ঞানকে জেনে রূপ হতে বিমুক্ত হয়, বেদনা হতে বিমুক্ত হয়, সংজ্ঞা হতে বিমুক্ত হয়, সংস্কার হতে বিমুক্ত হয়, বিজ্ঞান হতে বিমুক্ত হয়, এভাবে সে জন্ম, জরা, মরণ, শোক, পরিদেবন, দুঃখ, দৌর্মনস্য ও উপায়াস হতে বিমুক্ত হয়; ‘সে দুঃখ হতে বিমুক্ত’ বলে আমি বলি।” [চতুর্দশ সূত্র]

জ্বলন্ত কয়লা বর্গ চতুর্দশ সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

জ্বলন্ত কয়লা, ত্রিবিধ অনিত্যের দ্বারা, দুঃখের দ্বারা অপরত্রয়;
অনাত্মার দ্বারা ত্রিবিধ ব্যক্ত, কুলপুত্রের দ্বারা দ্বিবিধ দ্বিকে শেষ হয়।

ব্যাখ্যা [১]