লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

আধ্যাত্মিক সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

‘হে ভিক্ষুগণ, কীসের উপস্থিতিতে এবং কীরূপ তৃষ্ণার কারণে আধ্যাত্মিক সুখ-দুঃখ উৎপন্ন হয়?’ ‘ভন্তে, ভগবানই আমাদের মূল, ভগবানই আমাদের পথপ্রদর্শক এবং ভগবানই আমাদের আশ্রয়। অতএব ভন্তে, ভগবানই স্বয়ং কথিত বিষয়ের অর্থ পরিস্ফুট করুন, ভগবানের মুখ হতে শ্রবণ করে ভিক্ষুগণ তা ধারণ করবেন।’

‘হে ভিক্ষুগণ, রূপের উপস্থিতিতে এবং রূপ তৃষ্ণার কারণে আধ্যাত্মিক সুখ-দুঃখ উৎপন্ন হয়। বেদনার উপস্থিতিতে…. সংজ্ঞার উপস্থিতিতে…. সংস্কারের উপস্থিতিতে…. বিজ্ঞানের উপস্থিতিতে এবং বিজ্ঞান তৃষ্ণার কারণে আধ্যাত্মিক সুখ-দুঃখ উৎপন্ন হয়। ‘হে ভিক্ষুগণ, তোমরা এটি কী মনে কর, রূপ নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘অনিত্য, ভন্তে।’ ‘যা অনিত্য তা দুঃখ নাকি সুখ?’ ‘দুঃখ, ভন্তে।’ ‘যা অনিত্য, দুঃখ, বিপরিণামধর্মী, তার প্রতি অনুরক্ত না হলে আর আধ্যাত্মিক সুখ-দুঃখ উৎপন্ন হতে পারে কি?’ ‘নিশ্চয়ই নয়, ভন্তে।’ ‘বেদনা…. সংজ্ঞা…. সংস্কার…. বিজ্ঞান নিত্য নাকি অনিত্য?’ ‘অনিত্য, ভন্তে।’ ‘যা অনিত্য তা দুঃখ নাকি সুখ?’ ‘দুঃখ, ভন্তে।’ “যা অনিত্য, দুঃখ, বিপরিণামধর্মী, তার প্রতি অনুরক্ত না হলে আর আধ্যাত্মিক সুখ-দুঃখ উৎপন্ন হয় কি?’ ‘নিশ্চয়ই নয়, ভন্তে।’ “ঠিক এভাবেই [স্মৃতি সহকারে] দর্শন করলে পরে…. এ জীবনে [দুঃখমুক্তির নিমিত্তে] আর অন্য কোনো করণীয় নেই’ বলে সম্যকরূপে জানতে পারেন।” [প্রথম সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]