লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

আনন্দ সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

একসময় আয়ুষ্মান আনন্দ যেখানে ভগবান আছেন সেখানে উপস্থিত হলেন। গিয়ে ভগবানের সাথে কুশল বিনিময় করলেন। সৌজন্যমূলক বাক্য বিনিময় অবসানে একপাশে বসলেন। একপাশে বসলে আয়ুষ্মান আনন্দকে ভগবান বললেন :

“হে আনন্দ, যদি তোমাকে এভাবে জিজ্ঞেস করা হয়―‘আবুসো আনন্দ, কিরূপে এই ধর্মগুলোর উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়? তুমি যদি এভাবে প্রশ্নের মুখোমুখি হও তাহলে কিভাবে উত্তর দিবে?’”

“ভন্তে, আমাকে যদি এভাবে জিজ্ঞেস করে―‘আবুসো আনন্দ, কিরূপে এই ধর্মগুলোর উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়? ভন্তে, ঠিক এভাবে প্রশ্নের সম্মুখীন হলে আমি এভাবে উত্তর দেব―‘আবুসো, রূপের উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়। বেদনার…. সংজ্ঞার…. সংস্কারের…. বিজ্ঞানের উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়। আবুসো, ঠিক এভাবেই ধর্মগুলোর উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়। ভন্তে, ঠিক এভাবে প্রশ্নের সম্মুখীন হলে এভাবে উত্তর দেব।”

“সাধু সাধু আনন্দ। হে আনন্দ, রূপের উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়। বেদনার…. সংজ্ঞার…. সংস্কারের…. বিজ্ঞানের উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়। আনন্দ, ঠিক এভাবেই ধর্মগুলোর উৎপত্তি দেখা যায়, বিনাশ দেখা যায় ও স্থিতের অন্যথাভাব দেখা যায়। আনন্দ, এভাবে প্রশ্নের সম্মুখীন হলে তুমি এভাবে উত্তর দেবে।’ [পঞ্চম সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]