লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

প্রতিপদা সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

“হে ভিক্ষুগণ, আমি তোমাদের সৎকায়-সমুদয়গামী প্রতিপদা [উপায় বা প্রণালি] ও সৎকায়-নিরোধগামী প্রতিপদা দেশনা করব। তা শ্রবণ কর। হে ভিক্ষুগণ, সৎকায়-সমুদয়গামী প্রতিপদা কী? হে ভিক্ষুগণ, এই জগতে অশ্রুতবান পৃথগ্‌জন [সাধারণ লোক] আর্যদের অদর্শনকারী, আর্যধর্মে অজ্ঞ, আর্যধর্মে অবিনীত, সৎপুরুষদের অদর্শনকারী, সৎপুরুষধর্মে অজ্ঞ, সৎপুরুষধর্মে অবিনীত, সে রূপকে আত্মা বলে দর্শন করে, রূপবানকে আত্মা হিসেবে, আত্মার মাঝে রূপকে, অথবা রূপের মাঝে আত্মাকে দর্শন করে। বেদনাকে আত্মা বলে দর্শন করে…. সংজ্ঞাকে আত্মা বলে দর্শন করে…. সংস্কারকে আত্মা বলে দর্শন করে…. বিজ্ঞানকে আত্মা হিসেবে দর্শন করে, বিজ্ঞানবানকে আত্মা হিসেবে, আত্মার মাঝে বিজ্ঞানকে, অথবা বিজ্ঞানের মাঝে আত্মাকে দর্শন করে। হে ভিক্ষুগণ একেই বলা হয় ‘সৎকায়-সমুদয়গামী প্রতিপদা, সৎকায়-সমুদয়গামী প্রতিপদা’। হে ভিক্ষুগণ, একেই বলা হয় ‘দুঃখ-সমুদয়গামী সমনুদর্শন’। এখানে এটিই হলো অর্থ।”

“হে ভিক্ষুগণ, সৎকায়-নিরোধগামী প্রতিপদা কী? হে ভিক্ষুগণ, এই জগতে শ্রুতবান পৃথগ্‌জন [স্রোতাপন্ন] আর্যদের দর্শনকারী, আর্যধর্মে পণ্ডিত, আর্যধর্মে সুবিনীত, সৎপুরুষদের দর্শনকারী, সৎপুরুষধর্মে পণ্ডিত, সৎপুরুষধর্মে সুবিনীত, তিনি রূপকে আত্মা বলে দর্শন করেন না, রূপবানকে আত্মা হিসেবে, আত্মার মাঝে রূপকে, অথবা রূপের মাঝে আত্মাকে দর্শন করেন না। বেদনাকে আত্মা বলে দর্শন করেন না…. সংজ্ঞাকে আত্মা বলে দর্শন করেন না…. সংস্কারকে আত্মা বলে দর্শন করেন না…. বিজ্ঞানকে আত্মা হিসেবে দর্শন করেন না, বিজ্ঞানবানকে আত্মা হিসেবে, আত্মার মাঝে বিজ্ঞানকে, অথবা বিজ্ঞানের মাঝে আত্মাকে দর্শন করেন না। হে ভিক্ষুগণ একেই বলা হয় ‘সৎকায়-নিরোধগামী প্রতিপদা, সৎকায়-নিরোধগামিনী প্রতিপদা’। হে ভিক্ষুগণ, একেই বলা হয় ‘দুঃখ-নিরোধগামিনী সমনুদর্শন’। এখানে এটিই হলো অর্থ।” [দ্বিতীয় সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]