লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

দ্বিতীয় হালিদ্দিকানি সূত্র

আমি এরূপ শুনেছি। একসময় আয়ুষ্মান মহাকচ্চান অবন্তীতে বিহার করছিলেন কুররঘরে পর্বতশীর্ষে। তখন হালিদ্দকানি [হরিদ্রা বা হলুদ বর্ণে রঞ্জিত] গৃহপতি যেখানে আয়ুষ্মান মহাকচ্চান আছেন সেখানে গেলেন, গিয়ে আয়ুষ্মান মহাকচ্চানকে বন্দনা নিবেদন করে একপাশে বসলেন। একপাশে বসে হালিদ্দিকানি গৃহপতি আয়ুষ্মান মহাকচ্চানকে বললেন :

“ভন্তে, ভগবান [দী. নি. ] শক্র-প্রশ্নে এরূপ বলেছেন, ‘যে-সকল শ্রমণ-ব্রাহ্মণ তৃষ্ণক্ষয়ে বিমুক্ত [তৃষ্ণাক্ষয় নির্বাণ তদালম্বনের দরুন ফলবিমুক্তিতে বিমুক্ত], তারা পরিপূর্ণ চিত্তের একাগ্রভাব রক্ষাকারী, পরিপূর্ণ বিমুক্ত, পরিপূর্ণ ব্রহ্মচারী, পরিপূর্ণ সফলতা অর্জনকারী, দেব-মনুষ্যদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ’।”

‘ভন্তে, ভগবানের সংক্ষিপ্তভাবে ভাষিত এই কথার বিস্তারিত অর্থ কীরূপে দেখা উচিত?’

‘হে গৃহপতি, রূপধাতুর প্রতি চিত্তের যে রাগ, নন্দী, তৃষ্ণা এবং দৃঢ়াসক্তিবশে চিত্তের আশ্রয়ভূত [আত্মদৃষ্টিমূলক] যে অনুশয় রয়েছে সেসবের ক্ষয়, বিরাগ, নিরোধ, ত্যাগ, বিসর্জন হতে চিত্তকে পরিপূর্ণ বিমুক্ত বলে বলা হয়।’

‘হে গৃহপতি, বেদনাধাতুর প্রতি…. হে গৃহপতি, সংজ্ঞাধাতুর প্রতি…. হে গৃহপতি, বিজ্ঞানধাতুর প্রতি চিত্তের যে রাগ, নন্দী, তৃষ্ণা এবং দৃঢ়াসক্তিবশে চিত্তের আশ্রয়ভূত [আত্মদৃষ্টিমূলক] যে অনুশয় রয়েছে সেসবের ক্ষয়, বিরাগ, নিরোধ, ত্যাগ, বিসর্জন হতে চিত্তকে পরিপূর্ণ বিমুক্ত বলে বলা হয়।’

“হে গৃহপতি, ভগবান [দেবরাজ] শক্র-প্রশ্নে যা কিছু বলছেন, ‘যে-সকল শ্রমণ-ব্রাহ্মণ তৃষ্ণাক্ষয়ে বিমুক্ত, তারা পরিপূর্ণ চিত্তের একাগ্রভাব রক্ষাকারী, পরিপূর্ণ বিমুক্ত, পরিপূর্ণ ব্রহ্মচারী, পরিপূর্ণ সফলতা অর্জনকারী, দেব-মনুষ্যদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ’।”

‘হে গৃহপতি, ভগবানের সংক্ষিপ্তভাবে ভাষিত এই কথার বিস্তারিত অর্থ এভাবেই দেখা উচিত। [চতুর্থ সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]