লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

রাধ সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

একসময় আয়ুষ্মান রাধ যেখানে ভগবান আছেন সেখানে গেলেন। গিয়ে ভগবানকে বললেন, ‘ভন্তে, কিভাবে জ্ঞাত হলে কিভাবে দর্শন করলে এই বাহ্যিক সবিজ্ঞানক কায়ে ও সর্বনিমিত্তের মধ্যে অহংকার-আমিত্বভাব-মানানুশয় থাকে না?’

“হে রাধ, যা কিছু রূপ আছে-অতীত-অনাগত-বর্তমান, আধ্যাত্মিক বা বাহ্যিক, স্থূল বা সূক্ষ্ম, হীন বা উত্তম, দূরে বা নিকটের যাবতীয় রূপ সম্পর্কে ‘তা আমার নয়, আমি তাতে [অবস্থিত] নই, তা আমার আত্মা নয়’ এভাবে বিষয়টি যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা দর্শন করা উচিত। যা কিছু বেদনা আছে…. যা কিছু সংজ্ঞা আছে…. যা কিছু সংস্কার আছে…. যা কিছু বিজ্ঞান আছে- অতীত-অনাগত-বর্তমান, আধ্যাত্মিক বা বাহ্যিক, স্থূল বা সূক্ষ্ম, হীন বা উত্তম, দূরে বা নিকটের যাবতীয় বিজ্ঞান সম্পর্কে ‘তা আমার নয়, আমি তাতে [অবস্থিত] নই, তা আমার আত্মা নয়’ এভাবে বিষয়টি যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা দর্শন করা উচিত। হে রাধ, ঠিক এভাবেই জ্ঞাত হলে ও দর্শন করলে এই বাহ্যিক সবিজ্ঞানক কায়ে ও সর্বনিমিত্তের মধ্যে অহংকার-আমিত্বভাব-মানানুশয় থাকে না”…. আয়ুষ্মান রাধ অর্হৎদের মধ্যে অন্যতর হলেন।’ [নবম সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]