লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

সুরাধ সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

একসময় আয়ুষ্মান সুরাধ ভগবানকে বললেন, ‘ভন্তে, কিভাবে জ্ঞাত হলে কিভাবে দর্শন করলে এই বাহ্যিক সবিজ্ঞানক কায়ে ও সর্বনিমিত্তের মধ্যে অহংকার-আমিত্বভাব ও নানাবিধ মান অতিক্রম করা যায় এবং পুরোপুরি শান্ত বিমুক্ত চিত্ত হয়।’

“হে রাধ, যা কিছু রূপ আছে-অতীত-অনাগত-বর্তমান…. দূরে বা নিকটের যাবতীয় রূপ সম্পর্কে ‘তা আমার নয়, আমি তাতে [অবস্থিত] নই, তা আমার আত্মা নয়’ এভাবে বিষয়টি যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা দর্শন করে সম্পূর্ণরূপে আসক্তিশূন্য হয়ে বিমুক্ত হয়।

যা কিছু বেদনা আছে…. যা কিছু সংজ্ঞা আছে…. যা কিছু সংস্কার আছে…. যা কিছু বিজ্ঞান আছে-অতীত-অনাগত-বর্তমান, আধ্যাত্মিক বা বাহ্যিক, স্থূল বা সূক্ষ্ম, হীন বা উত্তম, দূরে কিংবা নিকটের যাবতীয় বিজ্ঞান সম্পর্কে ‘তা আমার নয়, আমি তাতে [অবস্থিত] নই, তা আমার আত্মা নয়’ এভাবে বিষয়টি যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা দর্শন করে সম্পূর্ণরূপে আসক্তিশূন্য হয়ে বিমুক্ত হয়। হে রাধ, ঠিক এভাবেই জ্ঞাত হলে ও দর্শন করলে এই বাহ্যিক সবিজ্ঞানক কায়ে ও সর্বনিমিত্তের মধ্যে অহংকার-আমিত্বভাব ও নানাবিধ মান অতিক্রম করা যায় এবং পুরোপুরি শান্ত বিমুক্ত চিত্ত হয়।”…. আয়ুষ্মান সুরাধ অর্হৎদের মধ্যে অন্যতর হলেন।’ [দশম সূত্র]

অর্হৎ বর্গ সপ্তম সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

আসক্তিপরায়ণ, অহংকারী, অতঃপর অভিনন্দনকারী সূত্র,
অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্মা, নিজের অধিকারভুক্ত নয়
আর সহজাত কামোদ্দীপক বিষয়;
রাধ-সুরাধের দ্বারা হয় সেই দশ সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা [১]