লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

দ্বিতীয় রাহুল সূত্র

শ্রাবস্তীতে উৎপত্তি :

একপাশে বসে আয়ুষ্মান রাহুল ভগবানকে বললেন, ‘ভন্তে, কিভাবে জ্ঞাত হলে কিভাবে দর্শন করলে এই বাহ্যিক সবিজ্ঞানক কায়ে ও সর্বনিমিত্তের মধ্যে অহংকার-আমিত্বভাব ও নানাবিধ মান অতিক্রম করা যায় এবং পুরোপুরি শান্ত বিমুক্ত চিত্ত হয়।’

“হে রাহুল, যা কিছু রূপ আছে-অতীত-অনাগত-বর্তমান, আধ্যাত্মিক বা বাহ্যিক…. দূরে কিংবা সমীপের যাবতীয় রূপ সম্পর্কে ‘তা আমার নয়, আমি তাতে [অবস্থিত] নই, তা আমার আত্মা নয়’ এভাবে বিষয়টি যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা দর্শন করে পুনর্বার জন্মগ্রহণের প্রতি সম্পূর্ণরূপে আসক্তিশূন্য হয়ে বিমুক্ত হয়।

যা কিছু বেদনা আছে…. যা কিছু সংজ্ঞা আছে…. যা কিছু সংস্কার আছে…. যা কিছু বিজ্ঞান আছে-অতীত-অনাগত-বর্তমান, আধ্যাত্মিক বা বাহ্যিক, স্থূল বা সূক্ষ্ম, হীন বা উত্তম, দূরে কিংবা সমীপের যাবতীয় বিজ্ঞান সম্পর্কে ‘তা আমার নয়, আমি তাতে [অবস্থিত] নই, তা আমার আত্মা নয়’ এভাবে বিষয়টি যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা দর্শন করে পুনর্বার জন্মগ্রহণের প্রতি সম্পূর্ণরূপে আসক্তিশূন্য হয়ে বিমুক্ত হয়। হে রাহুল, ঠিক এভাবেই জ্ঞাত হলে ও দর্শন করলে এই বাহ্যিক সবিজ্ঞানক কায়ে ও সর্বনিমিত্তের মধ্যে অহংকার-আমিত্বভাব ও নানাবিধ মান অতিক্রম করা যায় এবং পুরোপুরি শান্ত বিমুক্ত চিত্ত হয়।” [দশম সূত্র]

স্থবির বর্গ নবম সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

আনন্দ, তিষ্য, যমক, অনুরাধ আর বক্কলি হয়;
অশ্বজি, ক্ষেমক, ছন্ন, রাহুল হলো অপরদ্বয়।

ব্যাখ্যা [১]