লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৩]

না-দুঃখী না-সুখী সূত্র

শ্রাবস্তী নিদান :

“হে ভিক্ষুগণ, কিসের উপস্থিতিতে, কিরূপ তৃষ্ণার কারণে এবং কিসের প্রতি অনুরক্ত হয়ে এরূপ মিথ্যাদৃষ্টি উৎপন্ন হয় যে, ‘মরণের পর আত্মা না-দুঃখী না-সুখী এবং নিত্য অবস্থায় বিদ্যমান থাকে?’”

ভন্তে, ভগবানই আমাদের মূল, …. ।

ভগবান এরূপ বললেন :

“হে ভিক্ষুগণ, রূপের উপস্থিতিতে, রূপতৃষ্ণার কারণে এবং রূপের প্রতি অনুরক্ত হয়ে এরূপ মিথ্যাদৃষ্টি উৎপন্ন হয় যে, ‘মরণের পর আত্মা না-দুঃখী না-সুখী এবং নিত্য অবস্থায় বিদ্যমান থাকে।’ বেদনার উপস্থিতিতে…. সংজ্ঞার উপস্থিতিতে…. সংস্কারের উপস্থিতিতে…. বিজ্ঞানের উপস্থিতিতে, বিজ্ঞান তৃষ্ণার কারণে এবং বিজ্ঞানের প্রতি অনুরক্ত হয়ে এরূপ মিথ্যাদৃষ্টি উৎপন্ন হয় যে, ‘মরণের পর আত্মা না-দুঃখী না-সুখী এবং নিত্য অবস্থায় বিদ্যমান থাকে।’”

হে ভিক্ষুগণ, তোমরা কী মনে কর, “রূপ নিত্য নাকি অনিত্য?” “অনিত্য ভন্তে।”…. বিপরিণামধর্মী; তার প্রতি বিতৃষ্ণা উৎপাদনে কি আর এরূপ মিথ্যাদৃষ্টি উৎপন্ন হবে যে, ‘মরণের পর আত্মা না-দুঃখী না-সুখী এবং নিত্য অবস্থায় বিদ্যমান থাকে?’” “না ভন্তে, এরূপ হবে না।”

“ভিক্ষুগণ, যা অনিত্য তা দুঃখ। সেই দুঃখের উপস্থিতিতে, দুঃখ তৃষ্ণার কারণে এরূপ দৃষ্টি উৎপন্ন হয় যে, ‘মরণের পর আত্মা না-দুঃখী না-সুখী এবং নিত্য অবস্থায় বিদ্যমান থাকে।’”

“বেদনা…. “সংজ্ঞা…. “সংস্কার…. “বিজ্ঞান নিত্য নাকি অনিত্য?” “অনিত্য ভন্তে।” “যা অনিত্য তা দুঃখ নাকি সুখ?” “দুঃখ ভন্তে।” “যা অনিত্য, দুঃখ, বিপরিণামধর্মী; তার প্রতি বিতৃষ্ণা উৎপাদনে কি আর এরূপ মিথ্যাদৃষ্টি উৎপন্ন হবে যে, ‘মরণের পর আত্মা না-দুঃখী না-সুখী এবং নিত্য অবস্থায় বিদ্যমান থাকে?’” “না ভন্তে, এরূপ হবে না।”

“ভিক্ষুগণ, যা অনিত্য তা দুঃখ। সেই দুঃখের উপস্থিতিতে, দুঃখ তৃষ্ণার কারণে এরূপ দৃষ্টি উৎপন্ন হয় যে, ‘মরণের পর আত্মা না-দুঃখী না-সুখী এবং নিত্য অবস্থায় বিদ্যমান থাকে’।” [ষষ্ঠবিংশতি সূত্র]

তৃতীয় গমন বর্গ সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [০]