লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

রূপ সূত্র

শ্রাবস্তী নিদান :

“হে ভিক্ষুগণ, রূপ অনিত্য, বিপরিণামী, অন্যথাভাবী; শব্দ অনিত্য, বিপরিণামী, অন্যথাভাবী; গন্ধ অনিত্য, বিপরিণামী, অন্যথাভাবী; রস অনিত্য, বিপরিণামী, অন্যথাভাবী; স্পর্শ অনিত্য, বিপরিণামী, অন্যথাভাবী; ধর্ম অনিত্য, বিপরিণামী, অন্যথাভাবী।

ভিক্ষুগণ, যিনি এই ধর্মগুলোতে এরূপ বিশ্বাস রেখে শ্রদ্ধান্বিত হন, অনুরক্ত হন তাকেই বলা হয় শ্রদ্ধানুসারী, লক্ষ্যপথে আগত, সৎপুরুষভূমিতে আগত এবং পৃথগ্‌জনভূমি হতে অপগত। তার পক্ষে এই কর্ম সম্পাদন সেই সময় থেকে অসম্ভব হয়, যেই কর্ম সম্পাদন করলে নিরয়, তির্যক ও প্রেতলোকে উৎপন্ন হতে হয়। কারণ তার স্রোতাপত্তিফল লাভ হয়ে থাকে।”

“ভিক্ষুগণ, এরূপে যার এই ধর্মগুলো প্রজ্ঞা দ্বারা যথার্থভাবে উপলব্ধি হয় তাকেই বলা হয় ধর্মানুসারী, লক্ষ্যপথে আগত, সৎপুরুষভূমিতে আগত এবং পৃথগ্‌জনভূমি হতে অপগত। যেই কর্ম সম্পাদন করলে নিরয়, তির্যক ও প্রেতলোকে উৎপন্ন হতে হয়, সেই কর্ম সম্পাদনে অসমর্থ। যখন হতে তার স্রোতাপত্তিফল লাভ হয় তখন থেকেই সেই কর্ম সম্পাদনে অতীত হয়ে থাকেন। ভিক্ষুগণ, যিনি এই ধর্মগুলো এরূপে সম্যকভাবে জানেন, দর্শন করেন, তাকে বলা হয় স্রোতাপন্ন, অবিনিপাতধর্মে নিয়ত সম্বোধিপরায়ণ।” [দ্বিতীয় সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]