লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

বন্ধন সূত্র

সে-সময়ে কোশলরাজ প্রসেনজিতের নির্দেশে জনতা বন্ধিত হলো, কেউ কেউ দড়ি দিয়ে, কেউ কেউ শিকল দিয়ে এবং কেউ কেউ লোহার শিকল দিয়ে।

তখন বহুসংখ্যক ভিক্ষু পূর্বাহ্ণ সময়ে চীবর পরিধানপূর্বক পাত্র-চীবর নিয়ে শ্রাবস্তীতে পিণ্ডচারণের জন্য প্রবেশ করলেন। শ্রাবস্তীতে পিণ্ডচারণ করে ভোজনের পর ভগবানের কাছে উপস্থিত হলেন। উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে একান্তে উপবেশন করলেন। একান্তে উপবিষ্ট সেই ভিক্ষুগণ ভগবানকে বললেন, ‘ভন্তে, কোশলরাজ প্রসেনজিতের আদেশে জনতা বন্ধিত হয়েছে, কেউ কেউ দড়ি দিয়ে, কেউ কেউ শিকল দিয়ে এবং কেউ কেউ লোহার শিকল দিয়ে।’

অতঃপর ভগবান ইহার অর্থ জ্ঞাত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এই গাথাগুলো ভাষণ করলেন :

‘লৌহবন্ধন, কাষ্ঠবন্ধন বা রজ্জুবন্ধন প্রভৃতি বন্ধনকে ধীর ব্যক্তিরা দৃঢ় বন্ধন বলেন না। তাঁরা মণিকু-লগুলোতে অনুরক্ত ব্যক্তির বা স্ত্রী-পুত্রে আসক্ত ব্যক্তির তৃষ্ণাবন্ধনকে দৃঢ় বন্ধন বলেন। এই অধোগতিদায়ক বন্ধন শিথিল করে, দুচ্ছেদ্য বন্ধন ছেদন করে এবং কামসুখ পরিত্যাগ করে অনাসক্ত ব্যক্তিরা পরিভ্রমণ করেন।’

প্রথম বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক-গাথা :

দহর, পুরুষ, জরা, প্রিয়, আর আত্ম-রক্ষিত,
অল্প, বিচারালয়, মল্লিকা, যজ্ঞ ও বন্ধন উক্ত।

ব্যাখ্যা [২]