লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

রূপ-অজ্ঞান সূত্র

এক সময় ভগবান শ্রাবস্তীতে অনাথপিণ্ডিকের নির্মিত জেতবন আরামে অবস্থান করছিলেন। তখন বচ্ছগোত্রীয় নামে এক পরিব্রাজক ভগবানের সমীপে উপস্থিত হয়ে ভগবানের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন। কুশল বিনিময়ান্তে ভগবানকে এরূপে জিজ্ঞেস করলেন :

“ভো গৌতম, কী হেতুতে, কী কারণে ইহজগতে এবম্বিধ অনেক প্রকারের মতবাদ হয় যে, “লোক (জগৎ) শাশ্বত, লোক অশাশ্বত; লোক সান্ত, লোক অনন্ত; যেই জীব সেই শরীর, জীব অন্য শরীর অন্য, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে বা থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না বা থাকে না তাও না?”

“হে বচ্ছ, রূপে অজ্ঞান, রূপ সমুদয়ে অজ্ঞান, রূপ নিরোধে অজ্ঞান, রূপ নিরোধগামিনী প্রতিপদায় অজ্ঞান হওয়ার কারণে এবম্বিধ অনেক প্রকারের মতবাদ হয় যে, “লোক শাশ্বত, লোক অশাশ্বত; লোক সান্ত, লোক অনন্ত; যেই জীব সেই শরীর, জীব এক শরীর অন্য, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে বা থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না বা থাকে না তাও না।”

বচ্ছ, এই হেতুতে, এই কারণে এবম্বিধ অনেক প্রকারে মতবাদ হয় যে, “লোক শাশ্বত, লোক অশাশ্বত; লোক সান্ত, লোক অনন্ত; যেই জীব সেই শরীর, জীব এক শরীর অন্য, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে বা থাকে না, মরণান্তে তথাগতের অস্তিত্ব থাকে না বা থাকে না তাও না।” [প্রথম সূত্র]

ব্যাখ্যা [১]