লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

আধ্যাত্মিক অনিত্য হেতু সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, চক্ষু অনিত্য। যে হেতু যে প্রত্যয়ে চক্ষুর উৎপত্তি হয়, তাও (সেই হেতু-প্রত্যয়ও) অনিত্য। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্যসম্ভূত (অনিত্য হেতু-প্রত্যয়ে উৎপন্ন) চক্ষু কিরূপে নিত্য হবে! হে ভিক্ষুগণ, শ্রোত্র অনিত্য। যে হেতু যে প্রত্যয়ে শ্রোত্রের উৎপত্তি হয়, তাও অনিত্য। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্যসম্ভূত শ্রোত্র কিরূপে নিত্য হবে! হে ভিক্ষুগণ, ঘ্রাণ অনিত্য। যে হেতুতে যে প্রত্যয়ে ঘ্রাণের উৎপত্তি হয়, তা ও অনিত্য। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্যসম্ভূত ঘ্রাণ কিরূপে নিত্য হবে! হে ভিক্ষুগণ, জিহ্বা অনিত্য। যে হেতুতে যে প্রত্যয়ে জিহ্বার উৎপত্তি হয়, তা ও অনিত্য। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্যসম্ভূত জিহ্বা কিরূপে নিত্য হবে! হে ভিক্ষুগণ, কায় (দেহ) অনিত্য। যে হেতুতে যে প্রত্যয়ে কায়ের উৎপত্তি হয়, তাও অনিত্য। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্যসম্ভূত কায় কিরূপে নিত্য হবে! হে ভিক্ষুগণ, মন অনিত্য। যে হেতুতে যে প্রত্যয়ে মনের উৎপত্তি হয়, তাও অনিত্য। হে ভিক্ষুগণ, অনিত্যসম্ভূত মন কিরূপে নিত্য হবে!”

“হে ভিক্ষুগণ, শ্রুতবান আর্যশ্রাবক বিষয়টি এভাবে দর্শন করে চক্ষুতে নির্বেদ (অনাসক্ত) প্রাপ্ত হন, শ্রোত্রে নির্বেদ প্রাপ্ত হন, ঘ্রাণে নির্বেদপ্রাপ্ত হন, জিহ্বায় নির্বেদ প্রাপ্ত হন, কায়ে নির্বেদপ্রাপ্ত হন ও মনে নির্বেদ প্রাপ্ত হন। নির্বেদ প্রাপ্ত হয়ে বিরাগ (রাগমুক্ত) হন, বিরাগ হতে বিমুক্ত হন, বিমুক্তিতে ‘বিমুক্ত হয়েছি’ বলে জ্ঞানের সঞ্চার হয় এবং তিনি প্রকৃষ্টরূপে জানতে পারেন, ‘আমার জন্মবীজ ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্যব্রত উদ্‌যাপিত হয়েছে, করণীয় কার্য কৃত হয়েছে, এ জীবনে (আসব ক্ষয়ের জন্য) আর অন্য কর্তব্য নাই।”

সপ্তম সূত্র সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [১]