লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

ধর্মকথিক-প্রশ্ন সূত্র

অতঃপর একজন ভিক্ষু যেখানে ভগবান ছিলেন সেখানে উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে একপাশে উপবেশন করলেন। একপাশে উপবিষ্ট সেই ভিক্ষু ভগবানকে বললেন, “ভন্তে, ‘ধর্মকথিক, ধর্মকথিক’ বলে কথিত হয়। ভন্তে, কী প্রকারে ধর্মকথিক হয়?”

“যদি ভিক্ষু চক্ষুর নির্বেদের জন্য, বিরাগের জন্য, নিরোধের জন্য ধর্মদেশনা করেন, তাহলে তিনি যথার্থই ধর্মকথিক ভিক্ষু বলে কথিত হন। যদি ভিক্ষু চক্ষুর নির্বেদের জন্য, বিরাগের জন্য, নিরোধের জন্য প্রতিপন্ন হন , তাহলে তিনি যথার্থই ধর্মানুধর্ম প্রতিপন্ন ভিক্ষু বলে কথিত হন। যদি ভিক্ষু চক্ষুর নির্বেদ হেতু, বিরাগ হেতু, নিরোধ হেতু, উপাদানহীন বিমুক্ত হন, তাহলে তিনি যথার্থই ‘প্রত্যক্ষজীবনে (দৃষ্টধর্মে) নির্বাণ প্রাপ্ত ভিক্ষু’ বলে কথিত হন।” শ্রোত্র, ঘ্রাণ, জিহ্বা, কায় ও মন সম্পর্কেও এইরূপ।

দশম সূত্র সমাপ্ত।

নতুন পুরাতন বর্গ পঞ্চদশতম সমাপ্ত।

স্মারক গাথা :

কর্ম, চারি সপ্রায়, অন্তেবাসী, কী উদ্দেশ্যে হলো যুক্ত;
আছে কি পর্যায়, ইন্দ্রিয় আর কথিক মিলে বর্গ হলো উক্ত।

স্মারক গাথা :

যোগক্ষেমী, লোক, গৃহপতি আর দেবদহ;
নতুন পুরাতন সহ পঞ্চাশ, এভাবে তৃতীয় বর্গ উক্ত হলো।

ব্যাখ্যা [১]