লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

অধ্যাত্ম-অতীতাদি অনিত্যাদি সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, অতীত-অনাগত-বর্তমান চক্ষু অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম। অতীত-অনাগত-বর্তমান শ্রোত্র অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম। অতীত-অনাগত-বর্তমান ঘ্রাণ অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম। অতীত-অনাগত-বর্তমান জিহ্বা অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম। অতীত-অনাগত-বর্তমান কায় অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম। অতীত-অনাগত-বর্তমান মন অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্ম।”

“হে ভিক্ষুগণ, শ্রুতবান আর্যশ্রাবক বিষয়টি এভাবে দর্শন করে চক্ষুতে নির্বেদ প্রাপ্ত হন, শ্রোত্রে নির্বেদ প্রাপ্ত হন, ঘ্রাণে নির্বেদপ্রাপ্ত হন, জিহ্বায় নির্বেদপ্রাপ্ত হন, কায়ে নির্বেদ প্রাপ্ত হন ও মনে নির্বেদ প্রাপ্ত হন। নির্বেদ প্রাপ্ত হয়ে বিরাগ হন, বিরাগ হতে বিমুক্ত হন, বিমুক্তিতে ‘বিমুক্ত হয়েছি’ বলে জ্ঞানের উদয় হয় এবং তিনি প্রকৃষ্টরূপে জানতে পারেন, আমার জন্মবীজ ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্যব্রত উদ্‌যাপিত হয়েছে, করণীয় কার্য কৃত হয়েছে, এ জীবনে (আসবক্ষয়ের জন্য) আর অন্য কর্তব্য নাই।”

ব্যাখ্যা [০]