লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

আধ্যাত্মিক দুঃখ সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, চক্ষু দুঃখ। যা দুঃখ তা অনাত্ম; যা অনাত্ম তা আমার নয়, তা আমি নই; তা আমার আত্মা নয়। এরূপে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা বিষয়টি যথাযথভাবে দর্শন করা উচিত।

শ্রোত্র দুঃখ। যা দুঃখ তা অনাত্ম; যা অনাত্ম তা আমার নয়, তা আমি নই; তা আমার আত্মা নয়। এরূপে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা বিষয়টি যথাযথভাবে দর্শন করা উচিত।

ঘ্রাণ দুঃখ। যা দুঃখ তা অনাত্ম, যা অনাত্ম তা আমার নয়, তা আমি নই; তা আমার আত্মা নয়। এরূপে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা বিষয়টি যথাযথভাবে দর্শন করা উচিত।

জিহ্বা দুঃখ। যা দুঃখ তা অনাত্ম; যা অনাত্ম তা আমার নয়, তা আমি নই; তা আমার আত্মা নয়। এরূপে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা বিষয়টি যথাযথভাবে দর্শন করা উচিত।

কায় দুঃখ। যা দুঃখ তা অনাত্ম; যা অনাত্ম তা আমার নয়, তা আমি নই; তা আমার আত্মা নয়। এরূপে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা বিষয়টি যথাযথভাবে দর্শন করা উচিত।

মন দুঃখ। যা দুঃখ তা অনাত্ম; যা অনাত্ম তা আমার নয়, তা আমি নই; তা আমার আত্মা নয়। এরূপে সম্যক প্রজ্ঞার দ্বারা বিষয়টি যথাযথভাবে দর্শন করা উচিত।”

“হে ভিক্ষুগণ, শ্রুতবান আর্যশ্রাবক বিষয়টি এভাবে দর্শন করে চক্ষুতে নির্বেদ প্রাপ্ত হন, শ্রোত্রে নির্বেদ প্রাপ্ত হন, ঘ্রাণে নির্বেদপ্রাপ্ত হন, জিহ্বায় নির্বেদপ্রাপ্ত হন, কায়ে নির্বেদ প্রাপ্ত হন ও মনে নির্বেদ প্রাপ্ত হন। নির্বেদ প্রাপ্ত হয়ে বিরাগ হন, বিরাগ হতে বিমুক্ত হন, বিমুক্তিতে ‘বিমুক্ত হয়েছি’ বলে জ্ঞানের উদয় হয় এবং তিনি প্রকৃষ্টরূপে জানতে পারেন, আমার জন্মবীজ ক্ষীণ হয়েছে, ব্রহ্মচর্যব্রত উদ্‌যাপিত হয়েছে, করণীয় কার্য কৃত হয়েছে, এ জীবনে (আসবক্ষয়ের জন্য) আর অন্য কর্তব্য নাই।”

দ্বিতীয় সূত্র সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [০]