লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৬]

ফাল্গুন-প্রশ্ন সূত্র

আমি এরূপ শুনেছি। এক সময় ভগবান শ্রাবস্তীতে অবস্থান করছিলেন, জেতবনে অনাথপিণ্ডিক নির্মিত বিহারে। অতঃপর আয়ুষ্মান ফাল্গুন যেখানে ভগবান ছিলেন সেখানে উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে একপাশে উপবেশন করলেন। একপাশে উপবিষ্ট আয়ুষ্মান ফাল্গুন ভগবানকে বললেন, “ভন্তে, সেই চক্ষু আছে কি, যেই চক্ষু দ্বারা (দেখে) পরিনির্বাপিত, ছিন্নপ্রপঞ্চ, সম্পন্ন-ভ্রমণ, ত্রিবর্তের ক্ষয়-সাধনকারী (ভবচক্র ছিন্নকারী), সর্বদুঃখজয়ী (বিমুক্ত) অতীত বুদ্ধগণকে প্রজ্ঞাপিত করার সময় প্রজ্ঞাপন করতে পারে [পরিদর্শনকালে প্রকাশ (ব্যক্ত) করতে পারে]।” শ্রোত্র, ঘ্রাণ, জিহ্বা, কায় ও মন সম্বন্ধেও এইরূপ।

“হে ফাল্গুন, সেই চক্ষু নেই যেই চক্ষু দ্বারা (দেখে) পরিনির্বাপিত, ছিন্নপ্রপঞ্চ, সম্পন্ন ভ্রমণ, ত্রিবর্তের ক্ষয় সাধনকারী, সর্বদুঃখজয়ী অতীত বুদ্ধগণকে প্রজ্ঞাপিত করার সময় প্রজ্ঞাপন করতে পারে [পরিদর্শনকালে প্রকাশ (ব্যক্ত) করতে পারে]। শ্রোত্র, ঘ্রাণ, জিহ্বা, কায় ও মন সম্বন্ধেও এইরূপ।

দশম সূত্র সমাপ্ত।

গিলান বর্গ সমাপ্ত।

স্মারক গাথা :

“গিলান সূত্র দুইটি উক্ত, রাধ সূত্র হলো তিনটি উক্ত;
অবিদ্যা সূত্র দুইটি উক্ত, ভিক্ষু, লোক, ফাল্গুন ক্রমান্বয়ে যুক্ত।”

ব্যাখ্যা [১]