লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

বহুসংখ্যক ভিক্ষু সূত্র

অতঃপর বহুসংখ্যক ভিক্ষু যেখানে ভগবান ছিলেন সেখানে উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন করে একপাশে উপবেশন করলেন। একপাশে উপবিষ্ট সেই ভিক্ষুগণ ভগবানকে বললেন, “ভন্তে, বেদনা কী? বেদনা-সমুদয় (উৎপত্তি) কী? বেদনা সমুদয়গামী প্রতিপদা (উপায়) কী? বেদনা-নিরোধ কী? বেদনা-নিরোধগামী প্রতিপদা কী? বেদনার আস্বাদ কী, আদীনব (দোষ) কী, নিঃসরণ (মুক্তি) কী?”

“হে ভিক্ষুগণ, বেদনা এই তিন প্রকার। সুখ-বেদনা, দুঃখ-বেদনা, অদুঃখাসুখ-বেদনা। হে ভিক্ষুগণ, এগুলোকে বলা হয় বেদনা। স্পর্শ সমুদয় হতে বেদনা সমুদয় (উদয়) হয়। তৃষ্ণা বেদনা সমুদয়গামিনী প্রতিপদা। স্পর্শের নিরোধে বেদনা নিরোধ হয়। এই আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গই বেদনা নিরোধগামিনী প্রতিপদা (বেদনা নিরোধের উপায়); যথা : সম্যক দৃষ্টি, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক আজীব (জীবিকা), সম্যক প্রচেষ্টা, সম্যক স্মৃতি, সম্যক সমাধি। বেদনা হেতু যে সুখ-সৌমনস্য উৎপন্ন হয়, তা-ই বেদনার আস্বাদ; বেদনা যে অনিত্য, দুঃখপূর্ণ ও পরিবর্তনশীল; ইহাকে বলা হয় বেদনার আদীনব (দোষ)। বেদনা সম্পর্কে যা ছন্দরাগ দমন, ছন্দরাগ পরিহার; তাই বেদনা হতে নিঃসরণ (মুক্তি)।”

ব্যাখ্যা [০]