লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৭]

প্রথম শ্রমণ-ব্রাহ্মণ সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, বেদনা এই তিন প্রকার। তিন প্রকার কী কী? সুখ-বেদনা, দুঃখবেদনা, অদুঃখ-অসুখ-বেদনা। হে ভিক্ষুগণ, যেকোনো শ্রমণগণ বা ব্রাহ্মণগণ এই ত্রিবিধ বেদনার উদয়, বিলয়, আস্বাদ (উপভোগ), আদীনব (উপদ্রব) ও নিঃসরণ (মুক্তি) সম্পর্কে যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞায় জানে না, তারা শ্রমণ বা ব্রাহ্মণ নয়, শ্রমণগণের মধ্যে শ্রমণগণ্য কিংবা ব্রাহ্মণগণের মধ্যে ব্রাহ্মণগণ্য নয়, সেই আয়ুষ্মানগণ শ্রামণ্যার্থ বা শ্রমণগণের লক্ষ্য, ব্রাহ্মণ্যার্থ বা ব্রাহ্মণগণের লক্ষ্য ইহজীবনে স্বয়ং অভিজ্ঞানে প্রত্যক্ষ না করেই, প্রাপ্ত না হয়েই বাস করে।”

“হে ভিক্ষুগণ, যেকোনো শ্রমণগণ বা ব্রাহ্মণগণ এই ত্রিবিধ বেদনার উদয়, বিলয়, আস্বাদ, আদীনব (উপদ্রব) ও নিঃসরণ (মুক্তি) সম্পর্কে যথাযথভাবে সম্যক প্রজ্ঞায় জানেন, তাঁরাই শ্রমণ বা ব্রাহ্মণ, শ্রমণগণের মধ্যে শ্রমণগণ্য কিংবা ব্রাহ্মণগণের মধ্যে ব্রাহ্মণগণ্য, সেই আয়ুষ্মানগণ শ্রামণ্যার্থ বা শ্রমণগণের লক্ষ্য, ব্রাহ্মণ্যার্থ বা ব্রাহ্মণগণের লক্ষ্য ইহজীবনে স্বয়ং অভিজ্ঞানে প্রত্যক্ষ করেই, প্রাপ্ত হয়েই বাস করেন।

সপ্তম সূত্র সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [১]