লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৮]

পরিত্যাগ সূত্র

“হে ভিক্ষুগণ, বেদনা এই তিন প্রকার। তিন প্রকার কী কী? সুখ-বেদনা, দুঃখ-বেদনা, অদুঃখ-অসুখ-বেদনা। হে ভিক্ষুগণ, বেদনা এই তিন প্রকার। হে ভিক্ষুগণ, সুখ-বেদনার রাগানুশয় পরিত্যাগ করা উচিত, দুঃখ-বেদনার প্রতিঘানুশয় পরিত্যাগ করা উচিত, অদুঃখ-অসুখ-বেদনার অবিদ্যানুশয় পরিত্যাগ করা উচিত। হে ভিক্ষুগণ, যখন হতে ভিক্ষুর সুখ-বেদনার রাগানুশয় প্রহীন হয়, দুঃখ-বেদনার প্রতিঘানুশয় প্রহীন হয়, অদুঃখ-অসুখ-বেদনার অবিদ্যানুশয় প্রহীন হয়, ইহাকে বলা হয়, ভিক্ষু নিরনুশয়, সম্যকদর্শী, তিনি তৃষ্ণা ছেদন করেছেন, সংযোজন ধ্বংস করেছেন, সম্পূর্ণরূপে অভিমানের মূল অভিজ্ঞাত হয়ে সর্বদুঃখের অন্তঃসাধন করেছেন।”

“সুখ অনুভবকারী যিনি, প্রকৃষ্টরূপে বেদনাকে না জানলে তিনি;

রাগ-অনুশয় উৎপন্ন হয়, পরিণাম অদর্শীর।

দুঃখ অনুভবকারী যিনি, প্রকৃষ্টরূপে বেদনাকে না জানলে তিনি;

প্রতিঘ-অনুশয় উৎপন্ন হয়, পরিণাম অদর্শীর।

অদুঃখ-অসুখ স্বভাবে শান্ত, মহাজ্ঞানী কর্তৃক দেশিত;

যদি তাকে করে অভিনন্দন, পারে না হতে দুঃখ থেকে বিমুক্ত।

যখন হতে ভিক্ষু করেন না অবহেলা, হন সম্প্রজ্ঞান ও বীর্যবান;

তখন হতে সকল বেদনা, পরিপূর্ণরূপে জানেন সেই জ্ঞানবান।

প্রকৃষ্টরূপে জেনে সেই বেদনা, ইহজীবনে অনাসব হন তিনি;

দেহ-ত্যাগে সেই ধার্মিক, বেদজ্ঞ পুনঃ উদিত হন না কখনি।”

তৃতীয় সূত্র সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [১]