লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৯]

প্রথম আয়ু সূত্র

আমি এরূপ শুনেছি। একসময় ভগবান রাজগৃহে বেলুবনের কলন্দকনিবাপে অবস্থান করছেন। তথায় ভগবান ভিক্ষুগণকে ‘হে ভিক্ষুগণ,’ বলে আহ্বান করলেন। সেই ভিক্ষুগণও ‘হ্যাঁ ভদন্ত,’ বলে ভগবানের প্রত্যুত্তর দিলেন। তখন ভগবান বললেন :

‘হে ভিক্ষুগণ, মানুষের আয়ু অতি অল্প। পরলোকে গমন করতে হবে। তাই কুশলকর্ম সম্পাদন তরা উচিত, ব্রহ্মচর্য আচরণ করা উচিত। জন্মপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে রক্ষা নেই। ভিক্ষুগণ, যে ব্যক্তি দীর্ঘকাল বেঁচে থাকে, সে শত বৎসরের কম কিংবা শত বছরের কিছু বেশি বেঁচে থাকে।’

তখন পাপীরাজ মার ভগবানের কাছে উপস্থিত হয়ে ভগবানকে গাথায় বলল :

‘মানুষের আয়ু দীর্ঘ, সৎপুরুষ (‘অল্পায়ু’ বলে) তাকে অবহেলা করে না। স্তন্যপায়ী শিশুর মতো নিশ্চিন্ত মনে চলা উচিত, কারণ মৃত্যুর আগমন হবে না।’

(তখন ভগবান বললেন)

‘মানুষের আয়ু অতি অল্প, সৎপুরুষ (‘অল্পায়ু’ বলে) তাকে অবজ্ঞা করে। মস্তক-প্রজ্বলিত ব্যক্তির ন্যায় চলা উচিত, কারণ মৃত্যুর আগমন হবে।’

তখন পাপীরাজ মার ‘ভগবান আমাকে জেনেছেন, সুগত আমাকে জেনেছেন’ বলে দুঃখী ও দুর্মনা হয়ে সেখানেই অন্তর্ধান করল।

ব্যাখ্যা [১]