লোড হচ্ছে

অনুবাদসমূহ [১৩]

বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন-প্রশ্ন সূত্র

“‘বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন’, ‘বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন’ বলে কথিত হয়। বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন কী? বন্ধুগণ, তখন আমার মনে হলো, ‘এখানে ভিক্ষু সর্বতোভাবে ‘আকাশ-অনন্ত-আয়তন’ স্তর সমতিক্রম করে ‘অনন্ত-বিজ্ঞান’ এরূপ ভাবনা করে ‘বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন’ নামক (দ্বিতীয় অরূপ) ধ্যানস্তর লাভ করে তাতে অবস্থান করেন। ইহাকে বলা হয় বিজ্ঞান-অনন্ত আয়তন’। বন্ধুগণ, আমি সর্বতোভাবে ‘আকাশ-অনন্ত-আয়তন’ স্তর সমতিক্রম করে ‘অনন্ত-বিজ্ঞান’ এরূপ ভাবনা করে ‘বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন’ নামক (দ্বিতীয় অরূপ) ধ্যানস্তর লাভ করে তাতে অবস্থান করি। বন্ধুগণ, এ ধ্যান বিহাররত অবস্থায় আমার ‘আকাশ-অনন্ত-আয়তন’সহগত সংজ্ঞা ও মনস্কার প্রবর্তিত হতে থাকে।”

“বন্ধুগণ, তখন ভগবান ঋদ্ধিবলে আমার নিকট উপস্থিত হয়ে বললেন, ‘হে মৌদগল্লায়ন, মৌদগল্লায়ন! হে ব্রাহ্মণ! ‘বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন’ ধ্যানে প্রমাদিত হইও না, ‘বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন’ ধ্যানে চিত্ত স্থির কর, একাগ্র কর, নিবিষ্ট হও।” বন্ধুগণ, তখন আমি সর্বতোভাবে ‘আকাশ-অনন্ত-আয়তন’ স্তর সমতিক্রম করে ‘অনন্ত-বিজ্ঞান’ এরূপ ভাবনা করে ‘বিজ্ঞান-অনন্ত-আয়তন’ নামক (দ্বিতীয় অরূপ) ধ্যানস্তর লাভ করে তাতে অবস্থান করেছিলাম। বন্ধুগণ, যাকে শাস্তার অনুগৃহীত মহাভিজ্ঞতা-প্রাপ্ত শ্রাবক বলে বলতে গেলে বলা যায়, তা সম্যকভাবে আমাকেই শাস্তার অনুগৃহীত মহাভিজ্ঞতা-প্রাপ্ত শ্রাবক বলে বলা যেতে পারে।”

ষষ্ঠ সূত্র সমাপ্ত।

ব্যাখ্যা [০]